কালী পুজোর আগে নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ বৈঠক জলপাইগুড়িতে

চোরবাগানের পুনরাবৃত্তি যেন কালী পুজো কিংবা ছট পুজোর ঘাটে না ঘটে সেদিকে জোর দেওয়া হল রাজ্য সরকারের তরফে। কালী পুজো ও ছট পুজোকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে রাজ্য সরকারের নির্দেশে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জরুরি বৈঠক হল। সোমবার মন্ত্রী দীপক বর্মণের উপস্থিতি জেলাশাসক দফতরে বৈঠক হয়। জেলাশাসক অদিতি চৌধুরী, জলপাইগুড়ি বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী, রাজগঞ্জের বিধায়ক দীনেশ সরকার সহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দফতরের আধিকারিক ও জন প্রতিনিধিরা। সহ পুজো কমিটির প্রতিনিধিরা বৈঠকে ছিলেন।

সুপ্রিয় বসাক, নিজস্ব সংবাদদাতা

পুজোয় ক’টা দিন মণ্ডপে মাইকিংয়ের ক্ষেত্রে সর্তক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্কিত ছড়াবে এরকম কোনও মাইকিং করা যাবে না মণ্ডপ থেকে। ধূপগুড়িতে একদিনে প্রতিমা নিজঞ্জন হত না। এবছর প্রশাসনের নির্দেশে একদিনেই সব প্রতিমা নিরঞ্জনের প্রক্রিয়া সম্পুর্ন করতে হবে৷ পুজোর সময় পর্যাপ্ত শৌচাগারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বিশেষ করে মহিলাদের জন্য। প্রবেশ পথে ছোট করা হলেও বাহির হওয়ার পথে অনেকটাই চওড়া করতে হবে মণ্ডপে। ছট পুজোকে কেন্দ্র করে ঘাটে নদীর জল বোল্ডার দিয়ে আটকানো যাবে না।

মন্ত্রী বলেন, “দ্বায়িত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হাতে মাইকিংয়ের মাইক যেন থাকে পুজোর ক’টা দিন সেদিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে পুজো কমিটিকে। ভিড় যেন না হয় সেটা আমাদের উদ্দেশ নয়, আমাদের উদ্দেশ ভিড় হবে কিন্তু দর্শনার্থীরা খুব ভাল করে মণ্ডপ থেকে বের হয়ে যাবেন। ধুপগুড়ির পুজো একদিনেই প্রতিমা নিরঞ্জন করতে হবে। ছট পুজোর সময় দুর্ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে।”