নজরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি বিধানসভা আসনের মধ্যে সিংহভাগই বর্তমানে তৃণমূলের দখলে।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আবহে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভোটাররা কী ভাবছেন? বর্তমানে এই জেলাটি তৃণমূল কংগ্রেসেরঅন্যতম শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে ওঠে:

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও তৃণমূলের কৌশল

সংগঠন ও আধিপত্য: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি বিধানসভা আসনের মধ্যে সিংহভাগই বর্তমানে তৃণমূলের দখলে। জেলা পরিষদ থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত এবং পৌরসভাগুলিতেও তাদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

ভোটের সমীকরণ: ২০২৬-এর নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল তাদের এই দুর্গে বিরোধীদের কোনও জায়গা ছাড়তে নারাজ। বিশেষ করে সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক এবং সুন্দরবন সংলগ্ন গ্রামীণ এলাকায় সরকারি প্রকল্পগুলোর (যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার) প্রভাব শাসকদলকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে।

বিরোধী শূন্য করার লক্ষ্য: সাম্প্রতিক সময়ে বারুইপুর, ক্যানিং বা সাগরের মতো এলাকাগুলোতে শাসকদলের তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা বুথ স্তর পর্যন্ত বিরোধীদের সাংগঠনিক শক্তিকে কার্যত নিস্ক্রিয় করতে চাইছে।

নির্বাচনের সূচি

​ভারতের নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ​ভোটের তারিখ: আগামী ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ (দ্বিতীয় দফায়)।

​ফলাফল: আগামী ৪ঠা মে, ২০২৬।

​চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

​তৃণমূলের লক্ষ্য ‘বিরোধী শূন্য’ করা হলেও, বিরোধীদের (বিজেপি, বাম-কংগ্রেস জোট বা আইএসএফ) পক্ষ থেকে বিশেষ করে ভাঙড় বা মথুরাপুরের মতো এলাকাগুলোতে কতটা প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। এছাড়া শাসকদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল সামাল দেওয়াও শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।