বাড়িতে দেহ পচা গন্ধে অতিষ্ট সুদীপা, কি ঘটল তার সঙ্গে?

এটা কি ঘটল সুদীপা চ্যাটার্জির সঙ্গে? একদিকে হারিয়ে গেল তার আদরের গজুবাবু। আবার অন্যদিকে বাড়িতেই নাকি কবরখানা। থাকতে পারছেন না তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল তার ভিডিও ভাইরাল ভিডিওতে হাউহাউ করে কাঁদছেন সুদীপা কিন্তু ঠিক কি ঘটল তার সঙ্গে ?

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নিজস্ব প্রতিনিধি: সুদীপা চট্টোপাধ্যায়, বিতর্ক যাকে কেন্দ্র করে মাঝেমধ্যেই মাথাচাড়া দেয়। এক বিখ্যাত অনুষ্ঠানের সঞ্চালিকা ছিলেন তিনি। এখন নিজের ইউটিউব চ্যানেল আছে তাঁর। এর পাশাপাশি শাড়ির ব্যবসাও করেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে এমন কিছু কথা তিনি বলেছেন. এমন কিছু কাজ তিনি করেছেন, যার জন্য বারবার তাঁকে পড়তে হয়েছে নেটিজেনদের রোষের মুখে। কিন্তু এই মুহূর্তে তিনি পড়েছেন এক বড় বিপদে। সুদীপা এখন ভীষণভাবেই অসহায় বোধ করছেন। আসলে কাছের কেউ যদি নিঁখোজ হয়ে যায়। তাঁকে খুঁজতে গিয়ে যদি দেখা যায়, সামনে এল এক বিস্ফোরক তথ্য। তার জন্য মানুষ তো ভেঙে পড়বেই।

হারিয়ে গিয়েছে সুদীপার অন্যতম প্রিয় পোষ্য বিড়াল গজুবাবু। না যদিও এটা তার নিজের বিড়াল নয়। বাড়ির পার্শিয়ান বিড়াল ফিলিক্সকে কুঁদঘাটের চণ্ডী ঘোষ রোডের এক পশু দেখভাল কেন্দ্রে রেখে গিয়েছিলেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়ের ভাইঝি। এই ফিলিক্সকেই সুদীপা গজুবাবু বলে ডাকতেন। ফিরে এসে দেখেন, তাঁদের পোষ্য নিখোঁজ! প্রতিবেশিদের অনুমান, পশু দেখভাল কেন্দ্রের অন্যতম এক সদস্যই মেরে ফেলেছে বিড়ালটিকে! সুদীপার ভাইঝি ঘুরে ফিরে এসে যখন ওই পশুদের ক্রেশে যান, তখন পোষ্য ক্রেশ থেকে ফিলিক্সের বদলে অন্য এক বিড়ালকে দিয়ে দেওয়া হয় যা দেখে চমকে ওঠেন সকলে।

শনিবার রাতে যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেন সুদীপা ও তাঁর গোটা পরিবার, তা শুনে শিউরে উঠছেন অনেকেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় গোটা ঘটনার লাইভ করেছেন তিনি। ভালো করে কথা বলার মতো অবস্থাতেও তিনি ছিলেন না। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ দাবি করেছেন, ওই পশু দেখভাল কেন্দ্র ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই সন্দেহ ছিল তাঁদের। একাধিকবার পচা গন্ধে অতিষ্ট হয়েছেন তাঁরা। তাঁদের আশঙ্কা, ওই কেন্দ্রেই প্রাণী হত্যার মতো ভয়ঙ্কর কাজ হয়ে থাকে। গজুবাবুর ক্ষেত্রেও তেমন কিছু ঘটেছে বলে ভয় পাচ্ছেন সুদীপারা

সুদীপা ওই ক্রেশে গিয়ে দেখেন একটি বাড়িতে ৪০টিরও বেশি পশু বন্দি। গোটা বাড়িতে অযত্নের ছাপ। দরজা খুলে দিলেই বেরিয়ে আসছে পোষ্যেরা। এ ভাবে কোনও পশু ভাল থাকতে পারে? প্রশ্ন সুদীপার। তিনি এও জানান, পশু দেখভাল কেন্দ্রের মালকিন মৌমিতা দত্ত এবং তাঁর স্বামী দীপশেখর বাড়ির পিছনেই একটি কবরখানা বানিয়ে ফেলেছেন। ‘ক্রেশে কোনও পশু মারা গেলেই সেখানে কবর দিয়ে দেন তাঁরা। দুর্গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দারাও টিকতে পারেন না। সুদীপার পাশে রয়েছেন আরেক পোষ্যপ্রেমী অভিনেত্রী দেবলীনা। । রিজেন্ট পার্ক থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ক্রেশের মালিককে আটক করেছে পুলিশ।