কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। শিলিগুড়িতে তৈরি হবে মহাকাল মন্দির। এই মন্দির গোটা দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলেই আশা মুখ্যমন্ত্রীর।

রিয়া হালদার, সাংবাদিক: উত্তরবঙ্গের পর্যটনে নয়া চমক। শিলিগুড়িতে দেশের সবচেয়ে বড় মহাকাল মন্দির। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে শিলান্যাস হল এই মহাকাল মন্দিরের। উত্তরবঙ্গের মানুষদের জন্য বড় উপহার রাজ্যের তা বলাই বহুল্য। ভাবতে পারছেন দেশের সবচেয়ে বড় মহাকাল মন্দির এটি। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস করেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কড়া নিরাপত্তার মধ্য় দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলে। প্রত্যেকে যাতে অনুষ্ঠান দেখতে পারে তার জন্য প্রচুর এলইডি পর্দার ব্যবস্থা করা হয়। এবং এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরবঙ্গের প্রায় সবকটি এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। তবে আপনি কি জানেন, কেন মুখ্য়মন্ত্রী এই মহাকাল মন্দির স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিলেন? মাস তিনেক আগে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দূর্যোগ বিধ্বস্ত দার্জিলিং-এ গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি পাহাড়ের পুর্নগঠন, কাজের পরিদর্শন এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনার পরেই দার্জিলিংয়ের মহাকাল মন্দির পরিদর্শন করেন। তখনই তিনি শিলিগুড়িতে মহাকাল মন্দির নির্মাণ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী সেই সময় বলেছিলেন, “শিলিগুড়ির ডিএমকে একটা জমি দেখতে বলেছি। সেখানে কনভেনশন সেন্টার হবে। তারপাশেই তৈরি করা হবে মহাকাল মন্দির। এবং ওই মন্দিরে সবচেয়ে বড় শিব রাখার কথা বলা হয়। সময় লাগবে ঠিকই, কিন্তু তৈরি হবেই। কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মন্দির গোটা দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলেই আশা মমতার। মহাকাল মন্দির নির্মাণের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব গৃহীত হয়। এই প্রকল্পকে চূড়ান্ত অনুমোদন পর একটি ট্রাস্ট গঠন করে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শিলিগুড়ি শহরের পাশেই উজানু মৌজায় মাটিগাড়া ব্লকের পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে নির্মাণ হবে এই মন্দির। ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন জমির পাশেই যে রেল লাইন ও চামটা নদী অবস্থিত। ১৭ থেকে ১৮ একর জমিতে মন্দির নির্মাণের কাজ করবে ওয়েস্ট বেঙ্গল হাউজিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন বা WBIDC। এই মন্দিরে প্রায় এক লক্ষ পুন্য়ার্থী একসঙ্গে যেতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে। শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় অনুষ্ঠান শেষ করে মুখ্য়মন্ত্রী রওনা দেন জলপাইগুড়িতে, কলকাতা সার্কিট বেঞ্চের নতুন ভবনের উদ্বোধনের উদ্যেশ্যে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন, আর নির্বাচনের প্রাক্কালে মুখ্য়মন্ত্রীর মহাকাল মন্দিরের উদ্বোধন নিয়ে জলঘোলা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিকমহলে।

মহাকাল আসলে কী?
মহাকাল দুটি সংস্কৃত শব্দ থেকে এসেছে—’মহা’ অর্থাৎ মহান এবং ‘কাল’ অর্থাৎ সময় বা মৃত্যু। মহাকাল হল হিন্দুধর্মের সর্বোচ্চ দেবতা ভগবান শিবের একটি রূপ। ভগবান শিবের একটি ভয়ঙ্কর ও শক্তিশালী রূপ। যিনি শক্তির দেবতা হিসেবে পরিচিত। মহাকাল যার অর্থ “মহান সময়” বা “কালের প্রভু”; তিনি সময়, সৃষ্টি, স্থিতি ও ধ্বংসের ঊর্ধ্বে থাকা চূড়ান্ত বাস্তবতা। যিনি সমস্ত কিছু ধ্বংস করে নতুন সৃষ্টির পথ তৈরি করেন। মহাকাল নাম আসার কারণ শিব কালের অধিপতি এবং তিনি কালের চক্রের বাইরে অবস্থান করেন। আরও সহজ করে বললে, মহাকাল হলেন পরম সত্তা, যিনি সমস্ত উপাদান ও মাত্রার বাইরে অবস্থিত। আরও একটি বিষয় জানেন কি, কেন তিনি নীল বা কৃষ্ণবর্ণ?
মহাকালকে সাধারণত ঘন নীল বা কালো রঙে চিত্রিত করা হয়। এর কারণ হলো, মহাকাশ যেমন অনন্ত এবং শূন্য, মহাকালও তেমনি অসীম। সমস্ত রং যেমন কালো রঙের মধ্যে বিলীন হয়ে যায়, জগতের যাবতীয় সৃষ্টিও দিনশেষে মহাকালের মধ্যেই লীন হয়।

অন্যদিকে, মহাকালের পৌরাণিক কাহিনী জানেন না অনেকেই। যা অত্যন্ত রোমাঞ্চকর এবং গভীর অর্থবহ। শিবপুরাণ ও অন্যান্য শাস্ত্র অনুযায়ী, মহাকাল শিবের আবির্ভাব ও তাঁর মহিমা নিয়ে প্রধানত দুটি কাহিনী প্রচলিত রয়েছে…
অসুর ‘দূষণ’ বধ ও মহাকালেশ্বরের আবির্ভাব
প্রাচীনকালে অবন্তিকা বর্তমানে উজ্জয়িনী নগরীতে এক ধর্মপ্রাণ ব্রাহ্মণ বাস করতেন, যাঁর চার পুত্র ছিল। তাঁরা সবাই ছিলেন পরম শিবভক্ত। সেই সময়ে রত্নমালা পর্বতে ‘দূষণ’ নামে এক শক্তিশালী অসুর বাস করত। ব্রহ্মা থেকে বর পেয়ে সে অত্যন্ত অহঙ্কারী হয়ে ওঠে এবং ধর্মকর্ম ধ্বংস করতে শুরু করে। অসুর দূষণ অবন্তিকা নগরীর ব্রাহ্মণদের ওপর আক্রমণ করে এবং তাঁদের শিবপূজা বন্ধ করতে আদেশ দেয়। ব্রাহ্মণরা ভয় না পেয়ে শিবের আরাধনা চালিয়ে যান। ক্রুদ্ধ হয়ে দূষণ যখন তাঁদের প্রাণ নিতে উদ্যত হয়, তখন হঠাৎ পৃথিবী বিদীর্ণ হয়ে এক বিশাল গর্ত তৈরি হয় এবং সেখান থেকে স্বয়ং ভগবান শিব ভয়ঙ্কর ‘মহাকাল’ রূপে প্রকট হন। মহাকাল এক হুঙ্কারে দূষণ এবং তার অসুর বাহিনীকে ভস্মীভূত করে দেন। ভক্তদের অনুরোধে তিনি সেই স্থানেই লিঙ্গরূপে অবস্থান করেন, যা আজ মহাকালেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ নামে পরিচিত।
রাজা চন্দ্রসেন ও বালক শ্রীকরের গল্প,
উজ্জয়িনীর রাজা চন্দ্রসেন ছিলেন পরম শিবভক্ত। একদিন শ্রীকর নামে এক ছোট বালক রাজাকে শিবের পূজ করতে দেখে নিজেও একটি সাধারণ পাথরকে শিবলিঙ্গ জ্ঞান করে পূজা শুরু করে। বালকের একাগ্রতা দেখে আশেপাশের মানুষ তাকে উপহাস করলেও সে বিচলিত হয়নি। তার এই নিঃস্বার্থ ভক্তিতে মুগ্ধ হয়ে মহাদেব সেখানে আবির্ভূত হন। ঠিক সেই সময় প্রতিবেশী শত্রুরা যখন উজ্জয়িনী আক্রমণ করে, তখন মহাকাল রূপী শিবই সেই শহরকে রক্ষা করেন এবং শ্রীকরের ভক্তিকে অমর করে রাখতে সেখানে স্থায়ীভাবে বিরাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। মহাকালের কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন, সাধারণ শিবলিঙ্গ সাধারণত উত্তরমুখী হয়, কিন্তু মহাকালেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ দক্ষিণমুখী। হিন্দুধর্মে দক্ষিণ দিককে মৃত্যুর দিক বলা হয়। আর মহাকাল মৃত্যুর অধিপতি। যম অপেক্ষাও শক্তিশালী, তাই তিনি দক্ষিণমুখী হয়ে ভক্তদের অকাল মৃত্যু থেকে রক্ষা করেন। উজ্জয়িনীর মহাকাল মন্দিরে প্রতিদিন ভোরে চিতার ভস্ম অর্থাৎ ছাই দিয়ে আরতি করা হয়। এটি প্রতীকীভাবে বোঝায় যে, এই নশ্বর জগত একদিন ছাই হয়ে যাবে, কিন্তু মহাকাল চিরন্তন হয়ে থাকবে। তিনি কেবল সংহারকর্তা নন, তিনি সময়ের চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করেন। তাঁর উপাসনা করলে সাধক জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি বা মোক্ষ লাভ করতে পারেন।
কেন মহাকাল বলা হয়?
কারণ মহাকাল সময়কে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং তাঁর ইচ্ছার বাইরে কিছুই ঘটে না, এমনকি যমরাজও তাঁর অনুমতি ছাড়া কারো প্রাণ নিতে পারেন না এমনটা মনে করা হয়। মহাকাল সমস্ত কিছু ধ্বংস করে নতুন সূচনার পথ তৈরি করেন, যা ধ্বংস নয় বরং পরিশুদ্ধি। তাই তাঁকে প্রলয়কর্তা বা ধ্বংসের দেবতাও বলা হয়। তিনি কালের অধীন নন, বরং তিনিই কালের স্রষ্টা ও নিয়ন্তা, তাই তাঁকে ‘মহাকাল’ বলা হয়। উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দিরের পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, শিব এই রূপে আবির্ভূত হয়ে ভক্তদের রক্ষা করেছিলেন এবং তাই তিনি উজ্জয়িনীর প্রধান দেবতা। উজ্জয়িনীতে অবস্থিত বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের একটি হলো মহাকালেশ্বর, যা দক্ষিণমুখী এবং সময়ের দেবতা শিবকে উৎসর্গীকৃত। মহাকাল ও শিবের মধ্যে পার্থক্য করলে শিব হলেন বিশুদ্ধ স্থিরতা এবং চেতনা, এবং যখন সেই স্থিরতা তীব্র হয়ে ওঠে, তখন তা ভৈরব হয়ে ওঠে। কালের প্রভু হিসেবে। তিনি কাল ভৈরব, এবং যখন সময়ও বিলীন হয়ে যায়, তখন তিনি মহাকাল, কালহীন হয়ে ওঠেন।
কেন মহাকাল?
হিন্দুধর্মে, শিবকে মহাকাল বলা হয় কারণ তিনি সময় ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বে এবং সবকিছু ধ্বংসের পরেও তিনি বিদ্যমান থাকেন। তিনি সৃষ্টির পূর্বে ও বিনাশের পরেও থাকেন, তাই তিনি ‘কাল’ বা ‘সময়’-এর অধিপতি। তিনি হলেন সেই পরম শক্তি যা মহাবিশ্বের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। বৌদ্ধধর্মে, তিনি পরম করুণাময় অবলোকিতেশ্বরের একটি ভয়াল রূপ, যিনি সাধকদের পথের বাধা দূর করতে সাহায্য করেন। যেমন—অজ্ঞতা, অহংকার। তিনি অন্ধকার শক্তিকে রূপান্তরিত করে জ্ঞান ও মুক্তির পথে চালিত করেন, তাই তিনি ‘মহান কালো’ (The Great Black One) নামেও পরিচিত।
উজ্জয়িনীর মহাকালেশ্বর মন্দির কেবল একটি ধর্মীয় স্থান নয়, এটি জ্যোতির্বিজ্ঞান, ইতিহাস এবং আধ্যাত্মিক রহস্যের এক মিলনস্থল। এই মন্দিরের কিছু বিশেষ আচার এবং ঐতিহাসিক দিক রয়েছে, সেগুলি কি কি? মহাকালেশ্বর মন্দিরের সবচেয়ে আলোচিত এবং রহস্যময় আচার হলো ভস্ম আরতি। প্রতিদিন ভোর ৪টে নাগাদ এই আরতি হয়। একসময় নিয়ম ছিল শ্মশানের টাটকা চিতাভস্ম দিয়ে মহাকালের অভিষেক করা। বর্তমানে সাধারণত গরু বা আম কাঠের তৈরি বিভূতি ব্যবহার করা হয়। এই আরতির একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে যখন লিঙ্গে ভস্ম লেপন করা হয়, তখন মহিলারা সেটি দেখতে পারেন না। সেই সময় তাদের ঘোমটা বা পর্দা টেনে রাখতে হয়। এটি মূলত ‘মৃত্যুর ওপর জয়’ করার প্রতীক। ভক্তরা বিশ্বাস করেন, যারা এই আরতি দর্শন করেন, তারা অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পান। আর এখানেই আরও একটি প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে, কেন উজ্জয়িনীকেই বেছে নেওয়া হলো? প্রাচীন ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুসারে, উজ্জয়িনীকে পৃথিবীর নাভিদেশ অর্থাৎ Center of the Earth মনে করা হতো। আশ্চর্য হলেও এটাই সত্য যে, প্রাচীন গণিতবিদদের মতে কর্কটক্রান্তি রেখা ঠিক এই মন্দিরের ওপর দিয়ে গিয়েছে। একসময় উজ্জয়িনী ছিল ভারতের ‘প্রাইম মেরিডিয়ান’ বা মানক সময় নির্ধারণের কেন্দ্র। যেহেতু মহাকাল সময়ের অধিপতি, তাই সময়ের কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
মহাকালেশ্বর মন্দিরটি তিনটি স্তরে বিভক্ত, যা অন্য কোনো শিব মন্দিরে সচরাচর দেখা যায় না। এখানে স্বয়ং মহাকালেশ্বর জ্যোতির্লিঙ্গ অবস্থিত। এখানে রয়েছে ওঙ্কারেশ্বর শিবের মূর্তি। এখানে অবস্থিত নাগচন্দ্রেশ্বর মন্দির। নাগচন্দ্রেশ্বর মন্দিরটি বছরে মাত্র একবার, অর্থাৎ নাগপঞ্চমীর দিনে সাধারণের জন্য খোলা হয়। বাকি ৩৬৪ দিন এটি বন্ধ থাকে। এটা জানেন না অনেকেই। ১২৩৫ সালে দিল্লির সুলতান শামসুদ্দিন ইলতুৎমিস এই মন্দিরটি ধ্বংস করেন এবং জ্যোতির্লিঙ্গটি কাছের একটি কুণ্ডে ফেলে দিয়েছিলেন। প্রায় ৫০০ বছর পর মারাঠা সেনাপতি রাণোজী সিন্ধিয়া এই মন্দিরটি পুনরায় উদ্ধার ও সংস্কার করেন। বর্তমান মন্দিরের কাঠামোটি মূলত মারাঠা স্থাপত্যশৈলীতে তৈরি। কিংবদন্তি রাজা বিক্রমাদিত্য উজ্জয়িনীর শাসক ছিলেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, উজ্জয়িনীতে কোনো মানুষের রাজত্ব চলেনা, কারণ সেখানকার আসল রাজা হলেন মহাকাল। আজও কোনো মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী উজ্জয়িনী শহরে রাত কাটান না। লোকবিশ্বাস হলো, মহাকাল ছাড়া অন্য কোনো ‘রাজা’ বা শাসক যদি সেখানে রাত কাটান, তবে তার ক্ষমতা হারিয়ে যায়। মহাকালেশ্বরকে প্রতিদিন দুধ, দই, মধু, চিনি এবং ঘি দিয়ে অভিষেক করা হয়। এরপর চলে ভাং মানে শুকনো গাঁজা পাতা এবং চন্দন দিয়ে শৃঙ্গার। মহাকালের এই ‘শৃঙ্গার’ রূপটি অত্যন্ত সুন্দর, যেখানে তাকে রাজকীয় সাজে সাজানো হয়। মহাকালেশ্বর মন্দির এবং এর চারপাশের ‘মহাকাল লোক’ করিডোর এখন পর্যটকদের জন্য আরও আধুনিক ও তথ্যবহুল করে তোলা হয়েছে।