দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে দীপাবলি। এই উৎসব উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা ও কূটনীতিকরা ভারতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁদের বার্তায় উঠে এসেছে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয়ের কথা।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক
দীপাবলি উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম বলেন, “আলোর এই উৎসব আপনাদের জীবনে শান্তি, আশা ও মঙ্গল বয়ে আনুক। প্রতিটি দিন কাটুক নিরাপত্তা, আনন্দ ও সমৃদ্ধির মধ্যে। সকলকে দীপাবলির শুভেচ্ছা!”
Warmest wishes and greetings to all those celebrating Diwali in the UAE and around the world.
— HH Sheikh Mohammed (@HHShkMohd) November 7, 2026
May this festival of lights bring you peace, hope, and goodness, and may your days be filled with safety, happiness, and prosperity. Happy Diwali!
হিন্দু-আমেরিকান রাজনীতিবিদ এবং আমেরিকার জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রাক্তন প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডও দীপাবলি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর বার্তায় উঠে এসেছে শান্তি ও আনন্দের কথা। তিনি বলেন, “যাঁরা দীপাবলি পালন করছেন, তাঁদের সকলকে জানাই আনন্দময় উৎসবের শুভেচ্ছা। এই বিশেষ দিনে এবং বছরের প্রতিটি দিন আমাদের মনে রাখা উচিত, ঈশ্বরের ভালোবাসা সব অন্ধকার দূর করতে পারে। সেই ভালোবাসাই আমাদের জীবন আলো, শান্তি ও আনন্দে ভরিয়ে তুলতে পারে।”
Wishing all who are celebrating a joyful Diwali! May we be reminded on this special day, and all days, that God’s love has the power to dispel all darkness and fill our lives with light, peace and joy. pic.twitter.com/eSgMwUwpRq
— Tulsi Gabbard 🌺 (@TulsiGabbard) November 7, 2026
এর আগে, শুক্রবার হোয়াইট হাউসে দীপাবলি উদ্যাপনে যোগ দেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে প্রদীপ জ্বালানোর অনুষ্ঠানেও অংশ নেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিনয় মোহন কোয়াত্রা, এফবিআই প্রধান কাশ প্যাটেল, বিখ্যাত শেফ বিকাশ খান্না, শিল্পপতি বিশাল গন্ডল, আইবিএমের সিইও অরবিন্দ কৃষ্ণ এবং আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথের প্রধান জয় ভট্টাচার্য।
অন্যদিকে, দীপাবলিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র উৎসব বলে উল্লেখ করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে। তাঁর মতে, এই উৎসব অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর এবং অজ্ঞতার বিরুদ্ধে জ্ঞানের জয়ের প্রতীক।তিনি বলেন, “ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হাতে অসুর নরকাসুরের পরাজয়ের স্মরণে হিন্দুরা নানা ধর্মীয় আচার পালন করেন। তাঁদের বিশ্বাস, যেমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জয় হয়েছিল, তেমনই প্রত্যেকের মন থেকে অন্ধকার দূর হয়ে ভালোত্বের আলো ছড়িয়ে পড়বে।”