মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বিক্ষোভ সমাবেশে তৃণমূল

TMC agitation after ED raid at I-PAC : আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে ইডির তল্লাশির প্রতিবাদ করতে পৌঁছে গিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের নির্দেশেই হাওড়া, বসিরহাট সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদ বিক্ষোভ তৃণমূল কংগ্রেসের।

নিজস্ব সংবাদদাতা: আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের অফিসে ইডির তল্লাশির প্রতিবাদে বিক্ষোভ তৃণমূল কংগ্রেসের। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতোই ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বসিরহাট মহাকুমার বসিরহাটের ভ্যাবলা রেলগেট,  ভারত বাংলাদেশ ঘোজাডাঙার ওল্ড সাতক্ষীরা রোড, সন্দেশখালির ধামাখালি বাজার, মিনাখাঁর মালঞ্চ বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় দলীয় পতাকা ফেস্টুন প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে হাজির হন তৃণমূলের কর্মীরা। কোথাও প্রতিবাদ মিছিল কোথাও আবার বিক্ষোভ সমাবেশ হল। বিজেপির বিরুদ্ধে উঠল একাধিক স্লোগান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কালো হাত ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও,  তৃণমূলকে সিবিআই ও ইডি দিয়ে রোখা যায়নি যাবেও না, এমন স্লোগানও তোলা হল তৃণমূলের বিক্ষোভ সমাবেশে।

বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে এই ছবি দেখা গেল। ধিক্কার জানিয়ে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয় মধ্য হাওড়া তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। নেতাজি সুভাষ রোডের পার্বতী সিনেমা মোড় থেকে শুরু হয়ে মল্লিকফটক পর্যন্ত যায় সেই মিছিল। তৃণমূল কংগ্রেসের ওই মিছিলে নেতৃত্ব দেন মধ্য হাওড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়। “ঘটনা নক্কারজনক, ধিক্কার জানাচ্ছি। এই বিজেপি কোনোদিন রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে পারবে না তাই ছলচাতুরির আশ্রয় নিচ্ছে এবং রাজ্য দখলের পরিকল্পনা করছে। কিন্তু আমরা চুপ করে থাকব না প্রয়োজনে মারপিট করবো, রুখে দাঁড়াবো। “

“নির্বাচনের আগে এটা বিজেপির ষড়যন্ত্র।” নির্বাচন কমিশনকে দালাল ও তঞ্চক বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী অরূপ রায়।