সোমবার ময়দানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজয়া সম্মিলনীর মাধ্যমে চলবে জনসংযোগ
ঋক পুরকায়স্থ, সাংবাদিক: দিকে দিকে বিজয়া সম্মেলনী শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখেই জন সংযোগের জন্য এই উদ্যোগ তৃণমূলের। রাজ্যের প্রতিটি ব্লক, ওয়ার্ড, অঞ্চলে এই বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছে। ৫ তারিখ থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের এই বিজয়া সম্মিলনী।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেই এই বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। একদিকে এই বিজয়া সম্মিলনীর মধ্যদিয়ে যেমন এলাকার মানুষের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগ করছে ঠিক তেমনই কোন কোন জায়গা কতটা দুর্বল রয়েছে সেটাও বুঝতে পারবেন দলের উচ্চ নেতৃত্বরা। এর মধ্যদিয়ে দলের সমস্ত নেতৃত্বের মধ্যে সু-সম্পর্ক বজায় থাকবে। প্রবীন নেতৃত্বদের এই মঞ্চে এনে তাদের সম্মান জানানো হচ্ছে। রবিবার রাজ্যের মোট ১৩৫ টি ব্লকে বিজয়া সম্মেলনী করছে তৃণমূল। একদিনে রাজ্যের এতগুলি জায়গায় বিজয়া সম্মেলনীর মধ্যে এক প্রকার জনসংযোগ সেরে নিচ্ছে তৃণমূল। মূলত উত্তরবঙ্গে দূর্যোগের কারণে বিজয়া সম্মেলনী কিছু কিছু জায়গায় করা হয়নি বা দেরি হয়েছিল। তবে এবার সেই ঘাটতি পুরণ করে এক দিনেই রাজ্যের ১৩৫ টি ব্লকে বিজয়া সম্মেলনী করছে তৃণমূল।

অপরদিকে সোমবার ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে বিজয়া সম্মেলনী করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবার লোকসভার অন্তর্গত সমস্ত নেতৃত্বদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এই বিজয়া সম্মেলনীতে। দলের সমস্ত নেতৃত্বদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্যই এই উদ্যোগ। নবীন থেকে শুরু করে সমস্ত প্রবীন নেতৃত্বরা এমনকি যারা এক সময় দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন কিন্তু এখন শারীরিক কারণে সেভাবে অ্যাক্টিভ নয় তাদেরকেও এই মঞ্চে এনে সম্মান জানানো হচ্ছে।
নির্বাচনের আগে কার্যত অ্যাসিড টেস্ট করে নিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রকল্প, সমস্ত ভালো কাজ এই বিজয়া সম্মেলনীর মধ্যে দিয়ে আরও বেশি করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। এর পাশাপাশি বাংলার বকেয়া কেন্দ্র সরকার দিচ্ছেনা, ১০০ দিনের কর্মীদের বকেয়া, বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালিদের অপমান, হেনস্থা করা হচ্ছে সেই সমস্ত কথাও উঠছে এই মঞ্চ থেকে।