ধিক্কার সভা থেকে ফের বেলাগাম তৃণমূল নেতা !

ধিক্কার সভা থেকে বেলাগাম মালদা জেলা তৃণমূলের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর চামড়া গুটিয়ে নেওয়ার নিদান।

বিশ্বজিৎ মণ্ডল, নিজস্ব সংবাদদাতা: এসআইআর আতঙ্কে বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ তুলে কবরের মাটি মাথায় দিয়ে শপথ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি। ধিক্কার সভা থেকে ফের বেলাগাম মালদা জেলা তৃণমূলের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর চামড়া গুটিয়ে নেওয়ার নিদানও দিলেন। পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের পুড়িয়ে মারার হুঁশিয়ারিও দিলেন। সরকারি কর্মচারীদেরকেও প্রচ্ছন্ন হুমকি ঘিরে সব মিলিয়ে উর্ধ্বমুখী মালদা জেলার রাজনীতির পারদ। বুধবার মালতিপুর বিধানসভায় এসআইআর আতঙ্কে বলরামপুরের বাসিন্দা বৃদ্ধ মহম্মদ জলিলের হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠল। তারপরই চাঁচল ২ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল এবং ধিক্কার সভার আয়োজন করা হয়। মালতিপুর লাইব্রেরী মাঠ থেকে প্রতিবাদ মিছিলে মৃতের স্ত্রী কে নিয়ে হাঁটেন স্থানীয় বিধায়ক তথা মালদা জেলা তৃণমূলের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি। ব্লক দপ্তরের সামনে শেষ হয় মিছিল। সেখানেই হয় ধিক্কার সভা। মৃত জলিলের কবরের মাটি নিয়ে বিধায়ক সহ তৃণমূল কর্মীরা মাথায় মেখে আন্দোলনের শপথ গ্রহণ করেন।বিধায়কের মাসিক সাম্মানিক ভাতা থেকে মৃতের পরিবারের হতে ৫০,০০০ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। তারপরেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করেন রহিম বক্সি। যদিও নিজের মন্তব্য নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে রহিম বক্সির দাবি,”বিজেপি চক্রান্ত করে নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে। শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। বিজেপি যে আগুন জ্বালাচ্ছে, তার জেরে এরপর শুভেন্দু অধিকারীর ছাল তুলে নেবে মানুষ। বিজেপি নেতাকর্মীদের পুড়িয়ে মারবে সেই আগুনে।”

যদিও বিজেপির পাল্টা অভিযোগ নিজের পায়ের মাটি নড়বড়ে বলে অরজকতা সৃষ্টি করে নির্বাচনে জিততে চাইছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি। এসআইআর, মৃত্যু এবং বিতর্কিত মন্তব্য, সব মিলিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।