ISF-এর সভা ঘিরে অশান্তি, উত্তপ্ত ভাঙড় !

তৃণমূল নেতা খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। পালটা অভিযোগ তোলা হয়েছে আইএসএফ কর্মীদের বিরুদ্ধেও।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : আইএসএফ তৃণমূলের ঝামেলায় আবারও উত্তপ্ত ভাঙড়। দুপক্ষের মারধরের ঘটনায় আহত একাধিক। ভাঙচুর করা হয় বুলডোজার, পিকাপ ভ্যান। পোলেরহাট থানার পাকাপোল এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

আইএসএফের অভিযোগ, পাকাপোলের পাশে গাবতলায় একটি নির্বাচনী প্রচার ছিল আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকীর। সেই কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে আইএসএফ কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূল নেতা খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠছে। পালটা অভিযোগ তোলা হয়েছে আইএসএফ কর্মীদের বিরুদ্ধেও। খাইরুল ইসলামের বুলডোজার ও দুটি পিক্যাপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ আইএসএফের বিরুদ্ধে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জখম সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, “এত বৃষ্টির পরও এত পরিমাণ জনসমাগম হয়েছে আইএসএফের সভায়। এই দেখে তৃণমূল কংগ্রেসের শওকত মোল্লার মাথা কাজ করছে না। সেজন্য খাইরুল ইসলামের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। ট্রান্সফর্মার নামিয়ে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ”

প্রশাসনকে ট্রান্সফর্মার নামানোর সেই ছবি দেখানোর পরও কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ তোলেন নওশাদ সিদ্দিকী।

পাল্টা শওকত মোল্লার অভিযোগ, “নওশাদ সিদ্দিকী সভা থেকে উস্কানি দিয়েছেন, তাদের এক কর্মীকে নাকি খইরুল মারধর করেছে। তারপরই খইরুলের গ্যারেজে ঢুকে হামলা চালানো হয়েছে। বুলডোজার, দুটি পিকআপ ভ্যান ভাঙচুর করা হয়েছে। নওশাদের মূল কাজ হল ভাঙরজুড়ে অশান্তি তৈরি করা। ক্ষমতা দখলের জন্য পাগল হয়ে গেছে। মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে নোংরা খেলা খেলছে। সবটা প্রশাসনকে জানাতে পারত। এই নোংরা খেলার তীব্র নিন্দা করছি। নওশাদকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।”

দুপক্ষের সংঘর্ষে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পোলেরহাট থানার পুলিশ। বর্তমানে ঘটনাস্থলে রয়েছে পুলিশ ।