দ: ২৪ পরগনার ৩১টি বিধানসভার ভবিষ্যৎ কী ?

২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এই জেলার ৩১টি আসনের মধ্যে ৩০টি আসনে জয়লাভ করেছিল, আর ১টি আসন (ভাঙড়) পেয়েছিল আইএসএফ (ISF)।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা বরাবরই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে পরিচিত। ​নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। আগামী ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে এবং ফল প্রকাশ করা হবে ৪ মে ২০২৬ তারিখে।
​দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি আসনের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে বর্তমানে যা পরিস্থিতি:
​রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আসন সংখ্যা

​দক্ষিণ ২৪ পরগনায় মোট ৩১টি বিধানসভা আসন রয়েছে। ২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এই জেলার ৩১টি আসনের মধ্যে ৩০টি আসনে জয়লাভ করেছিল, আর ১টি আসন (ভাঙড়) পেয়েছিল আইএসএফ (ISF)।
​

রাজনৈতিক দল সম্ভাব্য পরিস্থিতি ও আসন ধারণা
তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) এই জেলায় তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি প্রবল। বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প (যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার) এবং গ্রামীণ এলাকায় শক্ত ঘাঁটির কারণে তারা এবারও ২৫-২৮টি আসন ধরে রাখার লক্ষ্য রাখছে।
ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের ট্রেন্ড অনুযায়ী কিছু শহুরে এবং আধা-শহুরে এলাকায় বিজেপি তাদের ভোটব্যাঙ্ক বাড়িয়েছে। তারা এই জেলায় অন্তত ৩-৫টি আসনে কড়া টক্কর দেওয়ার চেষ্টা করছে।
বাম-কংগ্রেস জোট ও ISF ভাঙড় এবং ক্যানিংয়ের মতো এলাকায় নওশাদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আইএসএফ-এর প্রভাব রয়েছে। ভাঙড় আসনটি পুনরায় জেতা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তারা ১-২টি আসনে চমক দিতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফ্যাক্টর:
​সংখ্যালঘু ভোট: এই জেলার ফলাফলে সংখ্যালঘু ভোটারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাঙড় বা মগরাহাটের মতো এলাকায় ভোট ভাগাভাগি হলে ফলাফল বদলে যেতে পারে।
​তৃণমূলের দুর্গ রক্ষা: ডায়মন্ড হারবার এবং জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিধানসভাগুলোতে তৃণমূলের প্রভাব এখনো যথেষ্ট মজবুত।
​বিক্ষুব্ধ ফ্যাক্টর: টিকিট বন্টন নিয়ে কোনো অসন্তোষ তৈরি হলে তা শাসক দলের জন্য কিছুটা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।