ওয়েব ডেস্ক: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার রাত ১০ টা ৫৫ নাগাদ দিল্লির এইমস হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। মঙ্গলবার রাত ৯ টা নাগাদ হঠাৎই বুকের বাম দিকে বেদনা অনুভব করেন প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। সেই মুহুর্তেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লির এইমস হাসপাতালে। ডাক্তারদের বহু চেষ্টার পরেও ১০টা ৫৫ নাগাদ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আজ সকাল থেকেই বিদেশমন্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে দিল্লিতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। সুষমা স্বরাজকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দিল্লিতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডু। টুইট করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্বরা। এদিন দুপুর ১২ টা থেকে দিল্লির বিজেপির সদর দফতরে সুষমা স্বরাজের মরদেহ শায়িত করে রাখা হয়।
সেখানেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অগণিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করতে থাকেন। সকাল থেকেই বিজেপির সদর দফতরে উপস্থিত হতে থাকেন বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদরা।
Sushma Ji’s demise is a personal loss. She will be remembered fondly for everything that she’s done for India. My thoughts are with her family, supporters and admirers in this very unfortunate hour. Om Shanti.
— Narendra Modi (@narendramodi) August 6, 2019
A glorious chapter in Indian politics comes to an end. India grieves the demise of a remarkable leader who devoted her life to public service and bettering lives of the poor. Sushma Swaraj Ji was one of her kind, who was a source of inspiration for crores of people.
— Narendra Modi (@narendramodi) August 6, 2019
বিজেপির দলীয় তরফে সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি জে.পি নাড্ডা জানান, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন শেষ হলে এখান থেকেই সুষমা স্বরাজের দেহ নিয়ে যাওয়া হবে লোধি রোডের শ্মশানে। সেখানেই বিকেল ৩টে নাগাদ পূর্ণরাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দলীয় নেত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
আরও পড়ুন : “বুধবার এসে ১টাকা নিয়ে যাবেন”, শেষ ফোনে হরিশ সালভেকে আমন্ত্রণ সুষমার
বুধবার সকাল ৮টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত তাঁর বাসভবনেই রাখা ছিল সুষমা স্বরাজের দেহ। মোদী সরকারের প্রথম ইনিংসে তিনি দক্ষতার সঙ্গে সামলেছেন বিদেশ মন্ত্রীত্ব। লোকসভায় বিরোধী দলনেত্রী হিসাবেও তাঁর বাগ্মিতা ছিল অসামান্য। ২০১৬ সালে কিডনি প্রতিস্থাপন হয় তাঁর। শারীরিক অসুস্থতা বোধ করায় ২০১৯ লোকসভা ভোটে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। তবে দলের সংগঠনের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।






