সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংবাদিক: ট্রাম্পকে বুড়ো আঙুল ইজরায়েলের, ফের হামলা গাজায়। কোন ভাবেই যেন গাজা ইজরায়েলের যুদ্ধ সমাপ্তি হচ্ছে না। ট্রাম্পের নির্দেশকে অমান্য করেই এবার ফের গাজায় হামলা চালাল ইজরায়েল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইজরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন গাজা ভূখণ্ডে হামলা বন্ধ করার জন্য। কিন্তু ট্রাম্পের ঘোষণাকে কার্যত উপেক্ষা করেই ফের গাজায় বোমা ফেলল ইজরায়েলি সেনা। শনিবার সকালের এই হামলায় এখনও পর্যন্ত সাত জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। নিহতদের মধ্যে চার জন গাজা শহরের বাসিন্দা, দু’জন গাজা ভূখণ্ডের দক্ষিণ দিকের খান ইউনিস শহরের বাসিন্দা।
ইজরায়েলের এই হামলার পর প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি শান্তি ফিরবে গাজায়? এই হামলার ফলে আবার নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, বহুদিন ধরেই ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইন যুদ্ধ বন্ধে সচেষ্ট ট্রাম্প। তাই সম্প্রতি তিনি ২০ দফা প্রস্তাবও এনেছেন শান্তির পক্ষে। সেই প্রস্তাবে প্রথমেই সম্মতি দিয়েছিল ইজরায়েল। অন্যদিকে হামাসকে সেই দাবি মানার জন্য হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। সেটা না মানলে চরম পরিণতি সইতে হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। আর তাতেই কাজ হয়। আজ হামাসও সেই প্রস্তাব মেনে নেয়। তারা ট্রাম্পের শর্ত মেনে শান্তি চুক্তিতে রাজি বলেই জানা গিয়েছে। পাশাপাশি তারা ইজরায়েলি বন্দিদের মুক্তি করার কথাও ঘোষণা করে। কিন্তু পরিস্থিতি সম্পূর্ণ শান্ত হয়নি।

ট্রাম্পের প্রস্তাবকে মেনে নেয় ইজরায়েল। প্রথমে কিছু না বললেও পরে সেই প্রস্তাব মেনে নেয় হামাসও। হামাসের তরফে জানানো হয়েছিল, তারা বন্দিদের ফিরিয়ে দেবে। তারা গোটা পরিস্থিতি নিয়ে ইজরায়েলের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি। গাজার শাসনভার কোনও প্যালেস্তিনীয় গোষ্ঠীর হাতে তুলে দিতে চায় বলে জানিয়েছেন তারা। কিন্তু এর মাঝে ফের গাজায় হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। যার জেরে মৃত্যু হল ৬ জনের।
হামাসের তরফে আরও জানানো হয়, গোটা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি তারা। পাশাপাশি, গাজার শাসনভার তারা কোনও প্যালেস্তিনীয় গোষ্ঠীর হাতেই তুলে দিতে চায় বলেও জানিয়েছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সব ঠিকঠাক থাকার পরও গাজায় ফের মারণ হামলা চালাল নেতানিয়াহুর দেশ।