Gangasagar Mela : সাগরদ্বীপের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হলেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা: প্রতিবছরের মতো এবছরও গঙ্গাসাগর মেলা- ২০২৬ –এর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মেলাকেন্দ্র করে জেলা প্রশাসনের একাধিক প্রস্তুতি বৈঠক হয়েছে। একাধিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।চলছে শেষ বেলার প্রস্তুতির কাজ।সামনেই মকর সংক্রান্তি। প্রতিবছরই মকর সংক্রান্তির পুণ্যলগ্নে রাজ্যের তথা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক লক্ষ পুণ্যার্থীরা ভিড় জমান গঙ্গাসাগরের পুণ্যভূমিতে।আগামী ৫ই জানুয়ারি মেলার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে গঙ্গাসাগর আসার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার আগেই শুক্রবার সাগরদ্বীপের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হলেন রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।
এবছর কুম্ভমেলা না থাকায় গঙ্গাসাগরে রেকর্ড সংখ্যক পুণ্যার্থীর সমাগম হতে পারে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন। গত কয়েক বছরে মেলা প্রাঙ্গণে বড় কোনও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। সেই সাফল্যের ধারা বজায় রাখতেই শুক্রবার মন্ত্রী সুজিত বসু কাকদ্বীপ ও কচুবেড়িয়া পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। এরপর মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখার পাশাপাশি সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও লাইন ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেন তিনি।
মন্ত্রী সুজিত বসু জানান, “রেকর্ড ভিড় সামাল দিতে এবং মেলা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অগ্নিমুক্ত থাকে, তার জন্য সবরকম আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দমকলের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে।” অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ফাঁকফোকর বন্ধ করে পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের মূল লক্ষ্য। গঙ্গাসাগরে আগত পুণ্যার্থীদের কোনরকম অসুবিধা যাতে না হয়, সেদিকে রাজ্য সরকার বিশেষ ব্যবস্থা যেমন নিয়েছে তেমনই দমকলের পক্ষ থেকে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গঙ্গাসাগর মেলার সময় মেলা প্রাঙ্গণের একটি অস্থায়ী দমকল বিভাগ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি দমকলের পক্ষ থেকে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখা হয়েছে। রাজ্য সরকার এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ গঙ্গাসাগর মেলা পরিচালন করার জন্য একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।