Sukanta Majumder news: “পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ আছে কোথায়? সবই পিসি ভাইপোর বাড়ি পাহারা দিতে ব্যস্ত“- কটাক্ষ কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের।

বিশ্বজিৎ মণ্ডল, নিজস্ব সংবাদদাতা : “উত্তরবঙ্গের কোচবিহার থেকে শুরু করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা পর্যন্ত অনুপ্রবেশকারী ও উদ্বাস্তু দুইপক্ষই এসেছে। এটা অস্বীকারের জায়গা নেই”, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি আরও বলেন, “হিন্দু যারা উদ্বাস্তু আছে, তারা নাগরিকত্ব পাবে সিএএ-র মাধ্যমে এটা আইনসভার সিদ্ধান্ত। বাকিরা বিদায় নেবে।“
এসআইআর ইস্যুতে সুকান্ত বলেন, “এসআইআর করা নির্বাচন কমিশনের কাজ। আমরা চাই স্বচ্ছ ভোটার তালিকা, থেকে অনেক ছোট রাজ্য যেগুলো রয়েছে তাতে বেশি নাম কাটা গেছে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে খবর পাচ্ছি তৃণমূল কংগ্রেসের যে বিএলওরা আছে তারা অনেক নাম কাটেনি। “
মালদায় গিয়ে এমনই একাধিক ইস্যুতে রাজ্য সরকার তথা তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন সুকান্ত মজুমদার। মালদার চাঁচলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভা নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন “পুলিশ যদি সভা করতে অনুমতি না দেয়, তাহলে কোর্টের পারমিশনে সভা হবে। পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ আছে কোথায়? সবই পিসি ভাইপোদের বাড়ি পাহারা দিতে ব্যস্ত।“
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঁচালী নিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “হিন্দু ধর্মে পবিত্র পাঁচালী লক্ষ্মীর পাঁচালী। ছোটবেলায় মা যেদিন পুজো করতে পারতেন না আমি পাঁচালী পড়ে পুজো করতাম। তৃণমূল এই পাঁচালীকে চুরির পাঁচালীতে পরিণত করেছে। ওদের নেতারা কী কী খেয়েছে, কী কী চুরি করেছে গ্রামে গঞ্জে সকলেই বলতে পারবে।“
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচানোর যুদ্ধ বিজেপি করছে। তৃণমূল পারলে বর্ডার খুলে দেয়। ওদের চাচা মামারা যাতে সহজে আসতে পারে।“
কয়েকদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে গিয়ে রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে, মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী বলেছিলেন, “ খবরের কাগজ খুলতে ভয় হয়। আজ আবার কোনও মেয়ের অত্যাচারিত হওয়ার খবর বেরোবে“
এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদারের প্রতিক্রিয়া, “মুখ ফস্কে হয়তো সত্যি কথা বলে ফেলেছেন। এই রাজ্যে যে একজন মৎসমন্ত্রী আছেন, সেটাই তো জানাই ছিল না।“