গঙ্গাসাগর মেলা রাজনীতির জায়গা নয়, তোপ অরূপ বিশ্বাসের।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা: গঙ্গাসাগর মেলায় বিপুল পুণ্যার্থীদের সমাগম। সবটা যাতে নির্বিঘ্নে মিটে যায়, সেজন্য প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এখনও পর্যন্ত ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসনিক হিসেব অনুযায়ী, ৮৫ লক্ষ পুণ্যার্থী গঙ্গাসাগরে হাজির হয়েছেন।
গঙ্গাসাগর মেলায় এখনও পর্যন্ত একজন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃত ব্যক্তি আসামের বাসিন্দা মিঠু মণ্ডল। পাশাপাশি অসুস্থ হয়ে পড়া ৫ জন পুণ্যার্থীকে এয়ারলিফট করে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন, মন্ত্রী, আধিকারিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা রাস্তায় নেমে কাজ করছেন।
প্রশাসনিক হিসাব অনুযায়ী বিকাল ৩টা পর্যন্ত প্রায় ৮৫ লক্ষ মানুষ গঙ্গাসাগর মেলায় উপস্থিত হয়েছেন। এটি বাংলার সবচেয়ে বড় মেলা হলেও বাংলায় আয়োজন হওয়ায় জাতীয় মেলার স্বীকৃতি পায়নি বলে অভিযোগ রাজ্য সরকারের।
প্রশাসনের অনুমান, রাতে আরও বহু পুণ্যার্থী আসবেন। এখনও বহু মানুষ বিভিন্ন রাস্তায় যাতায়াত করছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ১৯ মিনিট পর্যন্ত পুণ্যস্নানের শুভ লগ্ন রয়েছে।
গঙ্গাসাগর মেলাকে জাতীয় মেলা ঘোষণা না করা নিয়ে সুকান্ত মজুমদারকে পাল্টা জবাব দিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। মঙ্গলবার গঙ্গাসাগরে পুণ্য স্নানে গিয়ে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, “গঙ্গাসাগরকে জাতীয় মেলা ঘোষণা করা হয়নি, তার জন্য দায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ঠাঁই পায় না।“
পাল্টা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানান, “গঙ্গাসাগর মেলা রাজনীতির জায়গা নয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানীয় জল ও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইআইটির সাহায্যে ভাঙন রোধে কাজ করার চেষ্টা করা হয়েছে। ভিনরাজ্যের পুণ্যার্থীরাও এই ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মেলায় প্রায় ১৫০টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রায় ১০ হাজার কর্মী নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।“