মুখ্যমন্ত্রীর সুপ্রিম সওয়াল, চর্চা তুঙ্গে

সুপ্রিমকোর্টে ইতিহাস গড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।“ বললেন কুণাল ঘোষ। “শিক্ষা মেধার দিক থেকে যথেষ্ট ধনী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিষয়টি যথেষ্ট লজ্জার“, বললেন শুভেন্দু অধিকারী।

মাম্পি রায়, সাংবাদিক : এসআইআর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে বাংলার মানুষের স্বার্থে নিজেই সুপ্রিমকোর্টে সওয়াল করেছেন, তাতে ২০২৬-এর ভোটে জয়ের চাবিকাঠি যে ইতিমধ্যে পকেটে পুরে নিয়েছেন, তা বলাই বাহুল্য। চারগুণ বুক ফুলে গিয়েছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের। দিনটিকে ইতিমধ্যে নজিরবিহীন, ঐতিহাসিক আখ্যা দিতে শুরু করেছেন তাঁরা। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “সুপ্রিমকোর্টে ইতিহাস গড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দেখিয়ে দিলেন বাংলার মানুষের গণতান্ত্রিক স্বার্থ রক্ষার্থে কোনও মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিমকোর্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে গিয়ে এইভাবে সওয়াল করতে পারেন।   জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বঙ্গবিরোধী চক্রান্ত, মৃত্যুমিছিল, হয়রানি, বিজেপির রাজনৈতিক নির্দেশ মেনে যে চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র চলছে, তার বিরুদ্ধে সওয়াল করলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রথম দফাতেই জয় ছিনিয়ে আনলেন। মাননীয় সুপ্রিমকোর্টও অনুভব করেছে এসআইআর এবং লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির নামে অত্যাচার হচ্ছে।”

অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর এই সুপ্রিমকোর্টে সওয়াল করাকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ সুপ্রিমকোর্ট মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি না বলতে পারেনি, কিন্তু ঘুরিয়ে বলেছেন যে, আপনার আইনজীবী যথেষ্ট দক্ষ। তাঁকে সওয়াল করতে দিন। তারপরও স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বাজে টিকাটিপ্পনি করে গিয়েছেন। আর খুবই দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হল, বাংলা মাধ্যম থেকে গিয়ে যে সব ইংরেজি ঠিকঠাক বলবেন তা নয়, ওনার অনুবাদক নিয়ে যাওয়া উচিৎ ছিল। উনি ভুলভাল ইংরেজি উচ্চারণ করছিলেন, আর তাঁর পাশে মাননীয় সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তা সৎশোধন করছিলেন। শিক্ষা মেধার দিক থেকে যথেষ্ট ধনী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিষয়টি যথেষ্ট লজ্জার। প্রত্যেকেরই সীমাবদ্ধতা থাকে। কিন্তু উনি অনুবাদক নিয়ে গিয়ে সওয়াল করতে পারতেন। প্রথম দিন থেকেই তিনি এসআইআরকে ভন্ডুল করতে চাইছেন।  ”