কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব শান্তনু বাপুলী ও মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা : ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ঘর গোছাতে শুরু করল তৃণমূল কংগ্রেস। সর্বভারতীয় জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলায় চতুর্থবারের জন্য ‘মা-মাটি-মানুষে’র সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে সোমবার বিকেলে সরগরম হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর ব্লক। সাগর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের আহ্বানে গঙ্গাসাগরের রুদ্রনগর কৃষক বাজারে আয়োজিত হল এক বিশাল রাজনৈতিক কর্মিসভা।
এদিনের সভায় কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল সংগঠনের শক্তি প্রদর্শন এবং নিচুতলার কর্মীদের চাঙ্গা করা। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পর্যবেক্ষক শান্তনু বাপুলী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, সাগর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মহিতোষ দাস, সাগর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সাবিনা বিবি এবং সহকারী সভাপতি স্বপন কুমার প্রধান। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য তথা জিবিডিএ-র ভাইস চেয়ারম্যান সন্দীপ কুমার পাত্র সহ একাধিক বিশিষ্ট নেতা-নেত্রীরা।
সভার মঞ্চ থেকে বক্তারা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। তাঁদের অভিযোগ, বাংলার প্রাপ্য টাকা আটকে রেখে কেন্দ্র সরকার বাংলার মানুষকে ভাতে মারার চেষ্টা করছে। একশো দিনের কাজ থেকে শুরু করে আবাসন যোজনা—প্রতিটি ক্ষেত্রে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা বলেন, “যতই বাধা আসুক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক প্রকল্প মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবেই।” শান্তনু বাপুলী কর্মীদের উদ্দেশ্যে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের ডাক দিয়ে জানান, আগামী নির্বাচনে সাগর ব্লক থেকে বিপুল লিড নিশ্চিত করতে হবে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে সাগর তথা সমগ্র বাংলায় ঘাসফুল শিবিরের জয় কেবল সময়ের অপেক্ষা। এদিনের এই কর্মিসভাকে কেন্দ্র করে রুদ্রনগর এলাকায় ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।