দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের আগেই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করল পুলিশ।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক
শনিবার সকালে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এ তাঁর বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কক্রোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র ডাকে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার কথা ছিল রাঠির। তাঁর আটকের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সিজেপি। অবিলম্বে রাঠিকে মুক্তি দেওয়ার দাবি তুলেছে তারা।
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার সকালে দিল্লি পুলিশের প্রায় ৫০ জনের একটি দল গুরুগ্রামে ধ্রুব রাঠির বাড়িতে পৌঁছয়। তার পর তাঁকে আটক করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে শনিবারের বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন রাঠি। নরেন্দ্র মোদী সরকারের কট্টর সমালোচক হিসাবে পরিচিত এই ইউটিউবার চলতি সপ্তাহেই জার্মানি থেকে ভারতে ফিরেছেন। গত ৮ অক্টোবর বেঙ্গালুরুতে সিজেপির বিক্ষোভেও যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
এ দিন শুধু রাঠিই নন, সিজেপির আইনজীবী শাখার প্রধান রত্না সিংও পুলিশের বিরুদ্ধে তাঁকে আটকানোর অভিযোগ তুলেছেন। ভিডিয়ো বার্তায় তাঁর দাবি, সকালে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে পুলিশকর্মীরা তাঁকে বাইরে যেতে নিষেধ করেন। পরে গাড়িতে বসলে পুলিশকর্মীরা গাড়িটি ঘিরে ফেলেন। কেন তাঁকে আটকানো হচ্ছে, তার কোনও কারণ জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এর আগে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের জমায়েত আটকাতে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর ২০ হাজারেরও বেশি কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর।
বিক্ষোভের আগে রাতভর চারশোরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি বহু ট্রেন বাতিল এবং দিল্লি মেট্রোর একাধিক স্টেশন বন্ধ রাখার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সিজেপির তরফে সমর্থকদের যন্তর মন্তরে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি ঘিরে রাজধানীতে নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা—দুই-ই তুঙ্গে।