দুর্গাপুজোয় বারুইপুর পুলিশ জেলাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে সাড়ে তিন থেকে চার হাজার পুলিশ নামাচ্ছে বারুইপুর পুলিশ জেলা। বুধবার বারুইপুরে এক সাংবাদিক বৈঠকে এমন কথাই বললেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(হেড কোয়াটার)সৌম্যজিৎ বড়ুয়া। পাশাপাশি বারুইপুর পুলিশ জেলায় বারুইপুর, ক্যানিং,নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর,জয়নগরে পুজো মণ্ডপে বেশি ভিড় হওয়ায় ওইসব মণ্ডপে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন সাদা পোশাকের পুলিশ মোতায়েন থাকবে।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা
পুজোর সময় মহিলাদের নিরাপত্তা ও ইভটিজিং রুখতে অ্যান্টি-রোমিও টিম ও অ্যান্টি-ক্রাইম পেট্রোলিং টিমও সক্রিয় থাকবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। অন্যদিকে, সুন্দরবন পুলিশ জেলার কাকদ্বীপেও পূজোর জন্য যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে,পুজোয় বড় বাজেটের পুজো কমিটিগুলির পাশে পুলিশ অ্যাসিস্ট্যান্স বুথ করা হচ্ছে। সেখানে পুলিশ কর্মীরা থাকবেন এবং শিশুদের জন্য দেওয়া হবে ‘চাইল্ড কার্ড’। অভিভাবকদের সঙ্গে আসা শিশুদের পকেটে বা নির্দিষ্ট জায়গায় ওই কার্ড রেখে দেওয়া হবে, যাতে তারা হারিয়ে গেলেও সহজেই বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যায়। এছাড়াও প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা বলেন,বারুইপুর পুলিশ জেলায় পঞ্চমী-ষষ্ঠী থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ে। সেই কথা মাথায় রেখে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতা পুলিশ ও জেলাশাসকের নির্দেশ মেনে সমন্বয় করে ট্রাফিক ব্যবস্থা করা হবে। পুজোর সময় টোটো ও অটোর জন্য নির্দিষ্ট সময় করে দেওয়া হচ্ছে।যাতে সাধারণ পথচারীদের অসুবিধা না হয়।
জানা গিয়েছে,গত বছরের তুলনায় এই বছরে বেশি হোম গার্ড পাওয়া গিয়েছে। তাদের বেশি সংখ্যায় কাজে লাগানো হবে নরেন্দ্রপুর, সোনারপুর, বারুইপুর, জয়নগর ও ক্যানিংয়ে, যেখানে দুর্গাপুজোর সংখ্যা বেশি।এদিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন,”আমরা কনফিডেন্ট যে এবছর দুর্গাপুজো আমরা একদম নির্বিঘ্নে সমস্ত মানুষকে সঠিকভাবে ভালোভাবে পরিষেবা দিয়ে পালন করবো।