“ধ্রুব রাঠির লন্ডন বিক্ষোভে পাকিস্তানি-বাংলাদেশিদের ভিড়!”

এসআইআর এবং ‘ভোটচুরি’ ইস্যুতে এ বার লন্ডনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শামিল হয়েছেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। আর সেই কর্মসূচি ঘিরেই তাঁকে নিশানা করলেন বিজেপির আন্তর্জাতিক শাখার ইউরোপ ও ব্রিটেনের নেতা কুলদীপ শেখাওয়াত। তাঁর দাবি, বিক্ষোভে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের তুলনায় পাকিস্তানি ও বাংলাদেশিদের উপস্থিতি ছিল বেশি। একই সঙ্গে ব্রিটেনের মাটিতে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কুলদীপ দাবি করেন, বিক্ষোভে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সংখ্যা ছিল খুবই কম। তাঁর কথায়, ‘‘অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সংখ্যা ৫০ থেকে ৭০ জনের বেশি ছিল না। তাঁদের অনেকেই আবার জাতীয় ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই অথবা ব্রিটেনের কংগ্রেস-সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।’’ তবে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় সংক্রান্ত এই দাবির স্বাধীন ভাবে যাচাই করা তথ্য সামনে আসেনি।

ধ্রুবকে আক্রমণ করে কুলদীপের প্রশ্ন, লন্ডনে গিয়ে কেন প্রবাসী ভারতীয়দের মধ্যে বিভাজন তৈরি করছেন ইউটিউবার? তাঁর দাবি, এই ধরনের কর্মসূচির প্রভাব ভারত ও ব্রিটেনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উপরেও পড়তে পারে। ব্রিটেনে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের একটি বড় অংশ ধ্রুবের কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ১০ অক্টোবর দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভের আগে গুরুগ্রামে নিজের বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছিল ধ্রুবকে। পরে মুক্তি পেয়ে সমাজমাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। ধ্রুবের অভিযোগ ছিল, তাঁকে গ্রেফতার নয়, কার্যত অপহরণ করা হয়েছিল।

ইউটিউবারের দাবি, সাধারণ পোশাকে ২০-২২ জন ব্যক্তি তাঁকে জোর করে তুলে নিয়ে যান। সেই সময় তাঁর ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। প্রায় ২০-২২ ঘণ্টা ফোন ব্যবহার করতে পারেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ধ্রুবের এই অভিযোগ ঘিরেও তখন বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এ বার লন্ডনের প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক তরজা শুরু হল। তবে কুলদীপের অভিযোগ এবং ধ্রুবের বক্তব্য— দুইয়েরই নিরপেক্ষ যাচাই এখনও জরুরি।