উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের বিশেষ এমপি/এমএলএ আদালত সোমবার ২০১৮ সালের একটি মানহানির মামলা খারিজ করে দিয়েছে। এই মামলাটি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল।২০১৮ সালে কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে একটি অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে ‘আপত্তিকর মন্তব্য’ করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়।সোমবার আদালতের রায় শোনার জন্য দিল্লি থেকে সুলতানপুরে যান রাহুল গান্ধী।২০২৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর এই মামলায় রাহুল গান্ধীকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বিজেপির তৎকালীন জেলা সহ-সভাপতি বিজয় মিশ্র এই অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক
মামলার অভিযোগকারী বিজয় মিশ্র সোমবার সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে জানান, তিনি আদালতের কাছ থেকে ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।তিনি বলেন, “সেই সময় আমাদের দলের জাতীয় সভাপতি অমিত শাহের সঙ্গে যেভাবে আচরণ করা হয়েছিল, তাতে আমরা ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা করছি। ২০১৮ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই আইনি লড়াই চলছে। আজ রায় ঘোষণার দিন। আমাদের আইনজীবী যেভাবে মামলাটি লড়েছেন, তাতে আমরা আশাবাদী যে রায় আমাদের পক্ষেই যাবে।”বিজয় মিশ্রের আইনজীবী কাশী প্রসাদ শুক্লা জানান, ২০১৮ সালের মে মাসে বেঙ্গালুরুতে একটি সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল গান্ধী বিজেপির তৎকালীন জাতীয় সভাপতি অমিত শাহ সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। তিনি অমিত শাহকে একটি খুনের মামলার অভিযুক্ত বলে উল্লেখ করেছিলেন বলে অভিযোগ।
এর পরেই ক্ষুব্ধ হয়ে বিজয় মিশ্র আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই সময় বিজয় মিশ্র স্থানীয় জেলা সমবায় ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান ছিলেন। পাশাপাশি তিনি বিজেপির জেলা সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। এর আগে আইনজীবী পাণ্ডে জানিয়েছিলেন, এই মামলায় রাহুল গান্ধী দোষী সাব্যস্ত হলে ভারতীয় দণ্ডবিধির (IPC) ৫০০ নম্বর ধারায় তাঁর সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে।এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির (CrPC) ৪৩৭এ ধারা অনুযায়ী, নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আবেদন করা হলে সেখানে হাজিরা নিশ্চিত করতে অভিযুক্তকে জামিনদার-সহ বন্ড জমা দিতে হয়।