“থাপ্পড় মারাই ভালোবাসার পরিচয়”, উক্তিটি ভুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে বক্তব্য কবীর সিং-এর পরিচালকের…
ওয়েব ডেস্ক: “মেয়েদের মারধোর করা আসলে ভালোবাসার প্রকাশ”, বলে সমালোচনার সম্মুখিন হয়েছিলেন কবির সিং-এর পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা।
ভুল ভাবে তার কথাটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবী পরিচালকের। তাঁর এরকম একটি মন্তব্যে সারা দেশ উত্তাল হয়েছিল।
সম্প্রতিই অনুপমা চোপড়া নামক এক বিখ্যাত ফিল্ম ক্রিটিকের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন এমন অনেক বক্তব্যই।
যেমন- “যখন একটি ছেলে ও মেয়ে দুজন দুজনকে ভালোবাসে, তখন যদি তাদের একে অপরকে থাপ্পড় মারার অধীকারই না থাকে, তাহলে সেটাকে আমি ভালোবাসা বলেই মানি না।
এখানে ভালোবাসা নেই তো বটেই, কোনো অনুভূতিও নেই”। সারা ট্যুইটার ফেটে পড়ে মেয়েদের সম্মন্ধে তার এরকম বক্তব্য শুনে। পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা নিজেও ভাবতে পারেননি জনগণের এরকম প্রতিক্রিয়ার কথা। তাই তিনি নিজেকে বাঁচানোর জন্য বলেছেন, “আমার কথাটিকে ভুল ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমি আসলে এটা বলতেই চাইনি।
কবীর সিংএর চরিত্রটি এরকম ভাবে, আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে ভাবি না যে ভালোবাসার মানুষের প্রতি শারীরিক অত্যচার করাই প্রেম প্রকাশের আসল উপায়”। কিন্তু নিন্দুকরা সে কথা কেন শুনবে?
তাঁরা এখনও এটাই বিশ্বাস করেন যে, যেকোনো শিল্পই শিল্পীর মানসসিকতার পরিচয় ফুটিয়ে তোলে। পরিচালকের ক্ষেত্রেও ঘটনাটি একই। সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার নিজের এরকম মানসিকতা বলেই সে কবীর সিংএর মতো একটি চরিত্র গঠন করতে পেরেছেন।
“থাপ্পড় মারাই ভালোবাসার পরিচয়”, উক্তিটি ভুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে বক্তব্য কবীর সিং-এর পরিচালকের…
ওয়েব ডেস্ক: “মেয়েদের মারধোর করা আসলে ভালোবাসার প্রকাশ”, বলে সমালোচনার সম্মুখিন হয়েছিলেন কবির সিং-এর পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা।
ভুল ভাবে তার কথাটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবী পরিচালকের। তাঁর এরকম একটি মন্তব্যে সারা দেশ উত্তাল হয়েছিল।
সম্প্রতিই অনুপমা চোপড়া নামক এক বিখ্যাত ফিল্ম ক্রিটিকের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন এমন অনেক বক্তব্যই।
যেমন- “যখন একটি ছেলে ও মেয়ে দুজন দুজনকে ভালোবাসে, তখন যদি তাদের একে অপরকে থাপ্পড় মারার অধীকারই না থাকে, তাহলে সেটাকে আমি ভালোবাসা বলেই মানি না।
এখানে ভালোবাসা নেই তো বটেই, কোনো অনুভূতিও নেই”। সারা ট্যুইটার ফেটে পড়ে মেয়েদের সম্মন্ধে তার এরকম বক্তব্য শুনে। পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা নিজেও ভাবতে পারেননি জনগণের এরকম প্রতিক্রিয়ার কথা। তাই তিনি নিজেকে বাঁচানোর জন্য বলেছেন, “আমার কথাটিকে ভুল ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমি আসলে এটা বলতেই চাইনি।
কবীর সিংএর চরিত্রটি এরকম ভাবে, আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে ভাবি না যে ভালোবাসার মানুষের প্রতি শারীরিক অত্যচার করাই প্রেম প্রকাশের আসল উপায়”। কিন্তু নিন্দুকরা সে কথা কেন শুনবে?
আরও পড়ুন : মুভি রিভিউ – কবীর সিং…
তাঁরা এখনও এটাই বিশ্বাস করেন যে, যেকোনো শিল্পই শিল্পীর মানসসিকতার পরিচয় ফুটিয়ে তোলে। পরিচালকের ক্ষেত্রেও ঘটনাটি একই। সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার নিজের এরকম মানসিকতা বলেই সে কবীর সিংএর মতো একটি চরিত্র গঠন করতে পেরেছেন।
কলকাতা
ব্যবসা
লড়াই ছেড়ে সমঝোতার পথে আদানি-আম্বানি ?
গরমে ফ্রিজ বিক্রির প্রবণতা বাড়ে কেন ?
নতুন বাজি রিলায়েন্স জিও-র
মোবাইলে ফ্রি টিভি দেখার দিন কি শেষ ?