পুজোর থিম – ইসরোর সাফল্য

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের পুজো পরিক্রমায় রামগোপালপুর বয়েজ ক্লাব-এর ৪২তম বর্ষের এই আয়োজনটি এবারে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে।

বিশ্বজিৎ নস্কর, নিজস্ব সংবাদদাতা

শহর ও শহরতলির গণ্ডি ছাড়িয়ে গ্রামের পুজোতেও যে থিম এবং ভাবনার মুন্সিয়ানা থাকতে পারে, এই পুজো তার এক উজ্জ্বল নিদর্শন।

উদ্দেশ্য: পুজো উদ্যোক্তা শঙ্কর নস্করের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের মহাকাশ গবেষণার অগ্রগতি এবং সাফল্যকে সাধারণ মানুষের সামনে, বিশেষ করে এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে তুলে ধরার জন্যই এই অভিনব ভাবনা। এর মাধ্যমে ছোটোদের মনে বিজ্ঞান ও দেশের প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ তৈরি করার একটি সুন্দর প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।​

২. প্রতিমা ও আলোকসজ্জা​ প্রতিমা: চন্দ্রযান থিমের পাশাপাশি এই পুজোয় দর্শনার্থীরা দেখতে পেয়েছেন ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে গড়া পঞ্চ দুর্গা প্রতিমা।​

আলোকসজ্জা: মণ্ডপ ও তার চত্বরজুড়ে থাকা নজরকাড়া আলোকসজ্জা পুরো পরিবেশটিকে এক অন্য রূপ দিয়েছে, যা সন্ধ্যার সময় দর্শনার্থীদের আলাদাভাবে আকৃষ্ট করেছে।নিরাপত্তা ও বিশেষ বার্তা​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে আই.জি কঙ্কর প্রসাদ বারুই সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও নিরাপত্তার নির্দেশিকা দিয়েছেন:​

উৎসবের আনন্দ: তিনি সবাইকে পুজোর কটি দিন আনন্দ ও সম্প্রীতির সাথে একসাথে কাটানোর আহ্বান জানান।

​পুলিশের সহযোগিতা: পুলিশ সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে এবং যেকোনো সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত—এই আশ্বাস দিয়ে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।​

জরুরি হেল্পলাইন: কোথাও কোনো অসুবিধা বা সমস্যায় পড়লে অবিলম্বে ১১২ (112) নম্বরে ফোন করার পরামর্শ দেন। ফোন করার সাথে সাথেই পুলিশের বিশেষ বাহিনী তৎক্ষণাৎ সাহায্য নিয়ে পৌঁছে যাবে।​

মহিলাদের নিরাপত্তা: মহিলাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে পুজোয় বিশেষ হেল্প ডেস্কের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।​গ্রামের পুজোয় আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির থিম ফুটিয়ে তুলে রমগোপালপুর বয়েজ ক্লাব প্রমাণ করেছে যে সদিচ্ছা ও সৃজনশীলতা থাকলে মফস্বল বা গ্রামের পুজোও শহরের সঙ্গে সমানভাবে টেক্কা দিতে পারে।