১৮০ প্রাণ বাঁচালেন, ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিতের প্রশংসায় মোদী

ভয়াবহ পরিস্থিতিতে নিজে গুরুতর আহত হয়েও স্মিত যে সাহস দেখিয়েছেন, তার ফলেই শতাধিক মানুষের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক

মাঝ আকাশে আচমকা কো-পাইলটের হামলা। ককপিটের ভিতর ছুরি নিয়ে আক্রমণ। তার মধ্যেই বিমান নিয়ন্ত্রণে রেখে বড় বিপদ এড়ালেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার। গুরুতর আহত হয়েও যাত্রীদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাঁর সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘‘ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার সত্যিকারের হিরো। তাঁর জন্য গোটা ভারত গর্বিত।’’

মোদী আরও জানান, ভয়াবহ পরিস্থিতিতে নিজে গুরুতর আহত হয়েও স্মিত যে সাহস দেখিয়েছেন, তার ফলেই শতাধিক মানুষের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ভারতীয় ক্যাপ্টেনের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। নেতানিয়াহু তাঁকে ‘আসল হিরো’ বলে উল্লেখ করেন।

ঘটনাটি ঘটে ফ্লাইদুবাইয়ের FZ1073 বিমানে। দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল বিমানটি। অভিযোগ, মাঝ আকাশে কো-পাইলট আচমকা ক্যাপ্টেন স্মিতের উপর ছুরি নিয়ে হামলা করেন। গুরুতর আহত হয়েও বিমানটির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন স্মিত। পরে বিমানে থাকা যাত্রীদের মধ্যে কয়েক জন পাইলট ককপিটে ঢুকে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং হামলাকারীকে আটক করেন বলে জানা গিয়েছে। বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে জরুরি অবতরণ করে।

বিমানে প্রায় ১৮০ জন যাত্রী ছিলেন। ঘটনার সময় মাত্র দু’মিনিটে বিমানটি প্রায় ১৭,৪০০ ফুট নীচে নেমে গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে। একই সময়ে বিমান থেকে হাইজ্যাকের আন্তর্জাতিক জরুরি কোড পাঠানো হয়। বিমান ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় ইজরায়েলি যুদ্ধবিমানও আকাশে পাঠানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

তবে ঘটনার বিস্তারিত নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি ফ্লাইদুবাই কর্তৃপক্ষ। তাদের তরফে শুধু জানানো হয়েছে, বিমানটি তাবুকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং যাত্রীরা নিরাপদে রয়েছেন। ইজরায়েলের নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির ঘটনাটিকে ‘জঙ্গি হামলা’ বলে দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ইজরায়েলি নাগরিকদের হত্যার উদ্দেশ্যেই বিমানটিকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল।