ফ্লাইদুবাইয়ের হামলাকারী সহ-পাইলটকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য!

মাঝ আকাশে পাইলটকে ছুরিকাঘাত করে বিমান ভেঙে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ। তার পরই প্রশ্ন উঠেছে, কে ছিলেন সেই সহ-পাইলট? কেনই বা এমন ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটালেন তিনি? তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ওই হামলাকারী সহ পাইলট কি ধর্মীয় উগ্রপন্থী?

আরপ্লাস নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক

ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ফ্লাইদুবাইয়ের ওই সহ-পাইলট ওমানের নাগরিক। তাঁর নাম এখনও সরকারিভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে তাঁরই এক সহকর্মী ইজরায়েলের চ্যানেল ১৬-কে জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি ছিলেন ‘ধর্মীয় উগ্রপন্থী’। সহকর্মীর দাবি, মাত্র আট মাস আগে ফ্লাইদুবাইয়ে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। দিনে অনেকবার প্রার্থনা করতেন এবং মহিলাদের সঙ্গে হাত মেলাতেন না।

তবে এই আচরণই যে বিমানে হামলার কারণ, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তদন্তকারীরা ব্ল্যাক বক্সের তথ্য এবং যাত্রীদের মোবাইলে ধারণ করা ভিডিয়ো খতিয়ে দেখছেন। হামলার সঠিক উদ্দেশ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদী হামলা হিসাবেও তদন্ত করছে।

বুধবার দুবাই থেকে তেল আভিভ যাচ্ছিল ফ্লাইদুবাইয়ের FZ1073। প্রায় ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকার সময় ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে আচমকাই সংঘর্ষ শুরু হয়। অভিযোগ, সহ-পাইলট ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে ছুরিকাঘাত করেন এবং বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে বিমানটি হাজার হাজার ফুট নীচে নেমে যায়।

রক্তাক্ত অবস্থাতেও স্মিত ককপিটের দরজার রিলিজ খুলতে সক্ষম হন। দরজা খুলতেই যাত্রী এবং বিমানকর্মীরা সহ-পাইলটকে কাবু করেন। বিমানে থাকা ফ্লাইদুবাইয়ের আরও দুই পাইলট তখন নিয়ন্ত্রণ নেন। শেষ পর্যন্ত বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

এরই মধ্যে নতুন প্রশ্ন উঠেছে, ওমানের নাগরিক ওই পাইলট কী ভাবে ইজরায়েলগামী বিমানে দায়িত্ব পেলেন। ইজরায়েলের পরিবহণমন্ত্রী মিরি রেগেভ বিষয়টি তদন্তের জন্য সিভিল এভিয়েশন অথরিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে খবর। কারণ, ওমানের সঙ্গে ইজরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।