
নিয়োগপত্র হাতে নিয়েও শিক্ষকতায় অনীহা !
আন্দোলন। অপেক্ষা। তারপর শুরু হয়েছে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া। তবে বহু কাঙ্ক্ষিত এই চাকরি করার সুযোগ পেয়েও তাতে অনীহা। নিয়োগপত্র

আন্দোলন। অপেক্ষা। তারপর শুরু হয়েছে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া। তবে বহু কাঙ্ক্ষিত এই চাকরি করার সুযোগ পেয়েও তাতে অনীহা। নিয়োগপত্র

পাখির চোখ যখন বাংলার বিধানসভা নির্বাচন তখন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্যে ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু করবে না এমনটা হতেই পারে না।

আবারও ফিরে এসেছে রোজ নিয়ম করে করোনার খবরে চোখ রাখার দিন। কারণ এই মুহূর্তে দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। প্রতিদিন লাফিয়ে

জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহেই খুলে যেতে পারে স্নাতকে অভিন্ন ভর্তির পোর্টাল। ওবিসি নিয়ে যে জটিলতা তা মিটেছে। গত বছর ১৯ জুন

ভোট শেষ হওয়ার পরে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটের হার জানাতে নতুন প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সাধারণ মানুষকে ভোটের হার সম্পর্কে

স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা নিয়ে সতর্ক স্কুল সার্ভিস কমিশন। নতুন করে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় তিন দফায় নথি যাচাই

স্কুল খুললেও গরম কমেনি। তীব্র গরমে নাজেহাল কলকাতা থেকে জেলা। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭-৩৮ ডিগ্রি। কোনও কোনও জেলার তাপমাত্রা ৪০

এক তরতাজা প্রাণের আকস্মিক মৃত্যু আর সেই মৃত্যুর হাত ধরেই নবজীবন পেলেন অন্য তিন জন। শহরে ফের মরণোত্তর অঙ্গদানের নজির।

এবার সবুজায়নের উপর বিশেষ নজর সমগ্র শিক্ষা মিশনের। গরমের ছুটির পর খুলেছে স্কুল। শুরু হয়েছে পুরোদমে পঠন-পাঠন। স্কুল খোলার পরে

গোটা দেশে করোনা যখন বাড়ছে তখন কলকাতা সহ রাজ্যের এই প্রথম মৃত্যুর খবর নি:সন্দেহে উদ্বেগজনক। একদিকে ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ এবং সেই

এবার কলকাতায় করোনা আক্রান্তের মৃত্যু, চলতি মরসুমে যা প্রথম। রাজ্যে করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের আবহেই সামনে এল মৃত্যুর খবর। জানা গেছে

সোমবার থেকে শুরু হয়ে গেল পুরোদমে স্কুল। তাই এবার স্কুলে গিয়ে ক্লাস করাতে হবে আন্দোলনকারী চাকরিহারা যোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের। এদিকে