Date : 2019-08-23

অমিতের রোড শো-এ হোডিং সরানোকে কেন্দ্র করে ধর্মতলায় উত্তেজনা

কলকাতা: লোকসভা নির্বাচন প্রায় শেষ লগ্নে। সপ্তম দফা নির্বাচনের আগে রাজ্যে যুযুধান দুই শক্তি পরস্পরকে সুচাগ্র জমি ছাড় দিতেও প্রস্তুত নয়। টানটান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে সব রাজনৈতিক দলই শেষ প্রচারে ত্রুটি রাখতে চাইছে না।

মঙ্গলবার মধ্য কলকাতা থেকে অমিত শাহর রোড শোকে ঘিরে শেষ দফার আগে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে দ্বৈরথ ফের একবার প্রকাশ্যে এলো।

এর আগে শহিদ মিনার থেকে অমিত শাহকে রোড শো করার অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ।

বিজেপিকে মেট্রো চ্যানেল থেকে বিবেকানন্দ রোড পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দেয় রাজ্য প্রশাসন। এই নিয়ে প্রথম থেকেই জটিলতা শুরু হয়। সোমবার বারুইপুরে অমিত শাহর সভা বাতিলের পর ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিজেপি সমর্থকরা।

এবার ২৪ ঘন্টার মধ্যে একই চিত্র দেখা গেল মধ্য কলকাতায়।

অমিত শাহর রোড শো শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ব্যানার খোলাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় ধর্মতলা চত্বরে।

সরকারি জায়গায় হোডিং লাগানোর জেরে কলকাতা পুলিশের তত্ত্বাবধানে খুলে ফোলা হয় হোডিং। পুলিশের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগেই খোলা হয়েছে হোডিং।

বিজেপির তরফে অভিযোগ, তৃণমূল একাধিক উপায় বের করেও এই রোড শো বন্ধ করতে না পেরে পুলিশের সাহায্যে হোডিং খোলার কৌশল নিয়েছে।

এদিন বিকেলেই ধর্মতলা স্ট্রিট থেকে বিবেকানন্দ স্ট্রিট চৌপথি পর্যন্ত অমিত শাহর রোড শো-র আয়োজন করা হয়েছে রাজ্য বিজেপির উদ্যোগে।

এর ফলে গোটা কলেজ স্ট্রিট ও মধ্য কলকাতা মুড়ে ফেলা হয়েছে বিজেপির হোডিং, পোস্টারে।

দুপুরে হঠাৎ-ই ধর্মতলা রোডের রাস্তার পাশে বেশ কিছু জায়গায় হোডিং খুলতে শুরু করে কলকাতা পুলিশ।

তাদের দাবি, সরকারি জায়গায় হোডিং, পোস্টার টাঙিয়ে আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘন করেছে বিজেপি। ঘটনার জেরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় ধর্মতলা চত্বরে।

পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে বচসা সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি সামলাতে নির্বাচন কমিশন হস্তক্ষেপ করে।

ঘটনার জেরে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পরে লেনিন সরণি সহ মধ্য কলকাতার বেশ কিছু অঞ্চল। এই মুহুর্তে ঘটনাস্থলে মোতায়েন আছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।