Date : 2019-04-22

Breaking
প্রয়াত বিশিষ্ট লোকসঙ্গীত শিল্পী অমর পাল। এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ। সঙ্গীত মহলে শোকের ছায়া।
তৃতীয় দফার রাজ্যে আরও ৫০ কোম্পানি বাড়িয়ে ৩২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সিদ্ধান্ত কমিশনের। ১০০ শতাংশ বুথেই মোতায়েন থাকবে সশস্ত্র বাহিনী।
তৃতীয় দফার তিন দিন আগেই মালদার এসপি অর্নব ঘোষকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। নতুন এসপি হলেন অজয় প্রসাদ।
নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে ওয়েব সিরিজ-অ্যা কমন ম্যানের ওপর নিষেধজ্ঞা জারি করল নির্বাচন কমিশন। অনলাইনে থাকা ৫ টি এপিসোডই সরিয়ে ফেলার নির্দেশ কমিশনের।
সাহস থাকা ভালো, দুঃসাহস ভালো নয়। হারাতঙ্ক রোগে ভুগছেন মোদী। নদিয়ায় বললেন মমতা।
কৃষ্ণনগরে মহুয়া মৈত্র। রানাঘাটে রুপালী বিশ্বাস। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে জনসভা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কৃষ্ণনগরে রোড শো করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মধ্যরাতে কানপুরের কাছে লাইনচ্যুত হাওড়া-দিল্লিগামী পূর্বা এক্সপ্রেস। ট্রেনের ১২টি কামরা লাইনচ্যুত। আহত ১৪ জন, হতাহতের খবর নেই।
৩ দিন ধরে আমার স্বামী নিখোঁজ। স্বামীর মা-বাবা খুব চিন্তিত। ওকে ফিরিয়ে দিন। আমার সাথে সম্পর্কে কোনও চিঁর নেই। পুলিশ প্রশাসন তদন্ত করুক। বললেন নিখোঁজ নোডাল অফিসার অর্ণব রায়ের স্ত্রী।
কোচবিহারের ৩৫০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা। বিজেপির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে স্ক্রুটিনির রিপোর্ট দেখবেন বিশেষ পর্যবেক্ষক। তারপরই নেওয়া হতে পারে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত।
বাংলায় বিজেপির সমর্থনে দিদির ঘুমে ব্রেক পড়েছে। রাজ্যে দুর্নীতির শাসন চলছে। ভোটের ফলই সবকিছুর জবাব দেবে। বাংলায় বড় কিছু ঘটবে। বুনিয়াদপুরের সভা থেকে মমতাকে আক্রমণ মোদীর।
চতুর্থ দফায় কৃষ্ণনগর ও রানাঘাটে ভোটের আগে আজ নদিয়ায় তৃণমূল সুপ্রিমো। রানাঘাট লোকসভার বগুলায় ও কৃষ্ণনগরে আজ দুপুরে জনসভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তৃতীয় দফায় ৩২৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। ৯০ শতাংশ বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জানালেন বিশেষ নির্বাচনী পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক।
এই নির্বাচন ভারত গড়ার নির্বাচন। মোদী খমতায় এলে মানুষের অধিকার খর্ব করবেন। বালুরঘাটের নির্বাচনী সভা থেকে বিজেপিকে নিশানা তৃণমূলের।
বহরমপুরের খাস তালুকে অধীর চৌধুরিকে উৎখাতে ডাক মমতার। কংগ্রেস আরএসএস আঁতাতের তত্ব তুললেন।

বছরে দু বার সূর্যের গতিপথ পরিবর্তনের সঙ্গে আরাধনা করা হয় গনেশের

ওয়েব ডেস্ক: হিন্দু পুরাণ ও শাস্ত্র অনুসারে গনেশ হলেন প্রথম পুজ্য দেবতা। পৃথিবীর দক্ষিণায়নের শুরুতে হয় ঝুলন উৎসব, তারপর আসে গনেশ পুজো, আবার উত্তরায়ণের শুরুতে হয় গনেশ পুজো তারপর সরস্বতী পুজা ও দোলযাত্রা উৎসব। সর্ব প্রথম পুজো পান গনেশ, কিন্তু গনেশের উৎপত্তি সম্পর্কে অনেক পৌরাণিক কাহিনী আছে। শিব পুরাণে কথিত আছে, পার্বতী নিজের উবটন দিয়ে এক বালকের মুর্তি গড়েন। এবং তাঁর সৃষ্ট মুর্তির প্রতি প্রবল মাতৃত্ব বোধ জেগে ওঠে দেবী পার্বতীর। পুত্র রূপে তাকে প্রাণ দান করেন পার্বতী। পুত্রের নাম রাখেন বিনায়ক। অর্থাৎ তিনি বুদ্ধি ও শক্তির দেবতা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরম বিনয়ী ও সততার প্রতীক হন। কিন্তু মাতৃ আজ্ঞা পালন করতে গিয়ে বিনায়ক স্বয়ং মহাদেবের কাছে নিজের বিনয় সীমা লঙ্ঘন করেন। এই অপরাধে মহেশ্বর তাঁর শিরোচ্ছেদ করেন। পার্বতীর ক্রোধ ও দুঃখের কাছে নতি স্বীকার করে অপরাধের দন্ড দিয়েও তিনি শাস্তি ফিরিয়ে নেন গনেশের। ক্রুদ্ধ পার্বতীকে শান্ত করতে অবশেষে পুত্র গণেশের শিরে হাতির মাথা বসিয়ে পুনঃরায় তাকে জীবন ফিরিয়ে দেন। ভাদ্রপদ শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে গণেশের জন্ম হয়। তাই শাস্ত্রে ভাদ্রপদ শুক্লপক্ষের চতুর্থী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনই সারা দেশে গণেশ চতুর্থী পালিত হয়। কিন্তু মহাদেবের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে জন্মের কিছুদিন পরেই বিনায়কের মৃত্যু হয়। তাই বসন্ত পঞ্চমীর আগে যে শুক্ল চতুর্থী তিথি আসে সেই তিথিতে গনেশের পুনরাবির্ভাব তিথি বলে। জ্যোতিষশাস্ত্রে চতুর্থীকে রিক্তা তিথি বলা হয়েছে, সে দিন কোনও শুভ কাজ হয় না। কিন্তু সে দিনই গণেশের জন্মদিন হওয়ায় চতুর্থীতে রিক্তা তিথির দোষ গ্রাহ্য করা হয় না। তাই সমস্ত শুভ কাজ করা যায়। গণেশের কুষ্ঠিতে লগ্নে বৃশ্চিক রাশি রয়েছে এবং মঙ্গল বিরাজ করছে। তাই তিনি মঙ্গল মুর্তি। তাই তিনি প্রথম পুজ্য। গনেশ পুজো দিয়ে যে কোন পুজো শুরু করা হয় সিদ্ধি লাভের জন্য। তবে বসন্ত পঞ্চমী তিথির থেকেও ভাদ্র মাসের চতুর্থীতে গনেশ পুজোর প্রচলন বেশি। মহারাষ্ট্রের সর্বত্র ১০ দিন ব্যপী এই উৎসব পালন করা হয়। মোদক গনেশের সবচেয়ে প্রিয় ব্যঞ্জন। অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানাতে মোদক, লাড্ডু, ভ্রুন্দ্রাল্লু পানাকাম (গোল মরিচ এলাচ দিয়ে তৈরি পানীয়), ভাদাপাপ্পু (মুগডাল ভিজিয়ে তৈরি) এবং চালিভিড়ি নৈবেদ্য ও মিষ্টি হিসেবে দেওয়া হয় গণেশকে। মোদককে গোয়াতে ডাকা হয় নারভি নামে। যে কোন পুজো শুরুর আগে গনেশের পুজো করে নিলে বিঘ্ন ও বিপদ কেটে সিদ্ধি লাভ নিশ্চত। তাই গনেশের অপর নাম বিঘ্ননাশক, সিদ্ধি বিনায়ক।