Date : 2019-11-18

দীপাবলির রাতে বিপজ্জনক মাত্রায় উঠল শহরের বায়ু দূষণ, উদ্বেগ রিপোর্টে….

কলকাতা: কালীপুজো তো বটেই দীপাবলির রাতেও শহর কলকাতায় দূষণ ব্যাপক মাত্রা ছাড়াল। এমনিতেই দিন দুয়েক আগে বৃষ্টি হয়েছে। তাই বাতাসে ধুলিকণার পরিমান কম থাকার কথা। তবে দীপাবলির রাতে বাজির দাপট দূষণ মাত্রা লাগাম ছাড়িয়ে গেল। আর সেখানে সর্বোচ্চ স্থান লাভ করল উত্তর কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী সংলগ্ন অঞ্চল। ওই অঞ্চলে বাতাসের ধূলিকণার সূচক এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই)৩০০ ছাড়িয়ে গিয়েছিল, স্বাস্থ্যের পক্ষে যা অত্যন্ত বিপজ্জনক।

আবার এই এলাকায় বাতাসে ভাসমান ধূলিকণার মাত্রা পার্টিকল ম্যাটার ১০ বা পিএম ১০ ছিল প্রতি ঘনমিটারে ১৩৭৮.৯০ মাইক্রোগ্রাম, যা সহনশীল মাত্রার চেয়ে ১৬ গুণ বেশি। এছাড়াও কলকাতার রবীন্দ্র সরোবর, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, ফোর্ট উইলিয়াম, যাদবপুর সংলগ্ন অঞ্চলে বাতাসের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ ছিল। এই সব অঞ্চলে বিপজ্জনক ভাবে নামে যায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স।

তুবড়ি ফেটে মৃত্যু হল ১ শিশুর, দীপাবলির রাতে শহরে বেলাগাম শব্দবাজি, গ্রেফতার ১১৯০

রাত ৮ টা থেকে ১০ টা, বাজি ফাটানোর সময় দিয়ে দিল কলকাতা পুলিশ

শুধু কলকাতা নয়, সংলগ্ন হাওড়ার ঘুসুরি ও বেলুড় মঠের বাতাসের পলিউশন মাত্রা বিপজ্জনক ভাবে বেড়ে যায়। একাধিক অঞ্চলে মঙ্গলবার সকালে ধোঁয়াশায় ঢেকে যায়। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের রিপোর্টে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাজি ফাটানো মিটে গেলেও দূষণ সহনশীলতার মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে বাতাসে। হাওড়ার ঘুসুরিতে প্রতি মাইক্রোগ্রামে বাতাসে ধূলিকণার পরিমান ছিল ১১৫৯.১০, এদিকে কলকাতার রবীন্দ্রভারতী সংলগ্ন অঞ্চলে এই পরিমান ছিল ১৩৭৮.৯০ মিলিগ্রাম। যা সহনশীলতার থেকে অতিমাত্রায় বেশি। বাজি ফাটানো কমলেও এই দূষণ কাটতে অনেক সময় লাগবে বলেই জানিয়েছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ।