Date : 2024-05-26

সরিয়ে ছিলো কমিশন, ফিরিয়ে আনলো কমিশন। এবার অনেক উঁচু পদে

সঞ্জু সুর, সাংবাদিক : রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকে রাজীব কুমার এর অপসারণের পর পরবর্তী ডিজি পদে বিবেক সহায় এর নামে মান্যতা দিলো জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে একটা বৃত্ত যেন সম্পূর্ণ হলো।

২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচন যখন চলছিলো তখন ১৯৮৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার বিবেক সহায় ছিলেন ডিজি সিকিউরিটি পদে। মূলতঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সেই সময় ভোটের প্রচারে বেরিয়ে ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে আহত হন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগে বিবেক সহায়কে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁর জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছিল জ্ঞানবন্ত সিংকে। যদিও ভোট মিটে যাওয়ার পর ৬ মে তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরিয়ে সেই বিবেক সহায়কেই ফের পুরানো পদে ফিরিয়ে আনেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যদিও তারপর এই পদে বেশিদিন থাকতে পারেন নি তিনি। ২০২২ সালের জুলাই মাসে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি রাত্রিবেলা ঢুকে পড়েছিলো। সেই ঘটনার পর ফের একবার বিবেক সহায়কে ডিজি সিকিউরিটি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। এই মুহূর্তে বিবেক সহায় ডিজি হোমগার্ড পদে কর্মরত। তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামি মে মাসে। ফলে সিনিয়র মোষ্ট হ‌ওয়া সত্বেও তাকে ডিজি পদ দেওয়া হবে কিনা তাই নিয়ে একটা জল্পনা চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেখা গেল ১৯৮৮ ব্যাচের এই অফিসারের নামই তালিকার প্রথমে রেখে নির্বাচন কমিশন কে পাঠিয়েছিল নবান্ন। আর প্রথম নামেই শিলমোহর দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বাকি দুই নাম ছিল সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় আইপিএস এবং রাজেশ কুমার আইপিএস। তবে মে মাসে বিবেক পাহাড়ের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হলে তাকে এক্সটেনশন দেওয়া হবে কিনা সেই প্রশ্ন সামনে চলে আসছে। কারণ সারাদেশে ভোট পর্ব চলবে জুন মাস পর্যন্ত। তবে যেহেতু বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বিবেক সহায় ডিজি ওয়েস্ট বেঙ্গল পদ সামলাবেন তাই মনে করা হচ্ছে যে এই দায়িত্বও সম্ভবত পরিবর্তন হতে পারে। এদিকে ডিজিপি পদে থাকা রাজীব কুমার কে তথ্যপ্রযুক্তি দপ্তরের অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি পদে পাঠানো হলো।