Date : 2019-12-13

আজ “আল্লাহ তায়ালা” উদ্দেশ্যে ত্যাগের উৎসবের দিন….

ওয়েব ডেস্ক : প্রতি বছরের মত এবছরও পালিত হতে চলেছে ঈদ উল আযহা বা কুরবানী ঈদ। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষেরা এই দিনটিকে পালন করে থাকেন। এরাজ্যেও ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষেরা আনন্দে উৎসবে দিনটিকে কাটান। সারা বিশ্বে মুসলিমদের কাছে এই উৎসব ত্যাগের উৎসব। ইসলাম ধর্মে এই উৎসবের তাৎপর্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম ধর্মের নানান বর্ণণায় পাওয়া যায় যে, মহান “আল্লাহ তায়ালা” ইসলাম ধর্মের নবী হয়রত ইব্রাহীম (আঃ) কে তাঁর স্বপ্নে সবচেয়ে প্রিয় বস্তুকে আল্লাহ তায়ালাকে খুশি করার জন্য কুরবানির নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সেই আদেশ পালনার্থে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) তার সবচেয়ে কাছের প্রিয় পুত্র ইসমাইল(আঃ)কে কুরবানির জন্য প্রস্তুত করেন। পুত্রকে জবেহ করার উদ্দেশ্যে পিতা প্রস্তুত হয়ে চোখ বন্ধ করে ছেলের গলায় ছুরি চালানো শুরু করেন।

আরও পড়ুন: আশা-আশঙ্কার মধ্যেই উপত্যকায় শান্তিতে পালিত হচ্ছে ঈদুজ্জোহা

এমতাবস্থায় হযরত জিবরাঈল (আঃ) আল্লাহ তায়ালার আদেশে হযরত ইসমাঈল (আঃ) এর বদলে কুরবানীর জন্য দুটি দুম্বা নিয়ে হাজির হন।

এভাবে মুসলিম জাতির কাছে কুরবানী প্রথা অদ্যাবদি চলে আসছে। এ ঘটনাকে স্মরণ করেই বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা মহান আল্লাহ্ তায়ালার সন্তুষ্ঠি অর্জনে প্রতি বছর ঈদুল আযহা দিবসটি পালন করেন।

কুরবানী কবুল হওয়ার খোদাভীরু মন থাকা শর্ত। নির্ভেজাল চেতনা ও আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে কুরবানী করতে হবে। আল কোরআনে এসেছে ‘‘আল্লাহ তা’য়ালার নিয়ম হল, তিনি আল্লাহভীরু পরহেযগারদের কর্মই গ্রহণ করেন।’’ সকল দৈহিক ও আর্থিক ইবাদত কেবলমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে হতে হবে। সামাজিক লৌকিকতা ও অহমিকা থাকলে কুরবানীসহ কোন ইবাদতই গ্রহণযোগ্য হবে না।