Date : 2020-09-25

১৫ দিন সংসার করে ইমাম জানতে পারলেন তাঁর স্ত্রী পুরুষ!

ওয়েব ডেস্ক: সপ্তাহ দুয়েক আগে উগান্ডার কিয়াম্পিসি মসজিদের ইমাম বিবাহ করেন। বিবাহের পর যেন বজ্রাঘাত হয়, ইমাম জানতে পারেন তাঁর সঙ্গে যার বিয়ে হয়েছে তিনি আসলে একজন ছদ্মবেশী পুরুষ! নব বধুকে নিয়ে ১৫ দিনের সংসার করার পর মসজিদের ইমাম মুতুম্বা জানতে পারেন তাঁর বউ আদৌ মহিলা নন। অভিযোগ মুতুম্বা স্ত্রী চুরি করতে গিয়েছিলেন প্রতিবেশীর ঘরে। টিভি চুরি করে পাঁচিল টপকে পালানোর সময় তাঁকে দেখে ফেলেন প্রতিবেশীরা। এরপর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে সার্চ করার পর জানতে পারে ইমামের বউ আসলে একজন পুরুষ! হিজাব পড়া ইমামের বউ সেজে ছিলেন একজন পুরুষ।

‘লাভ জিহাদে’র টার্গেট ভিন ধর্মের তরুণীরা, জানাল চার্চ

সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, ইমামের সঙ্গে যাঁর বিয়ে হয়েছিল তিনি মসজিদেই কাজ করতেন। তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল মেয়েদের মতো, এমনকি তিনি হিজাব পড়তেন। চলাফেরাও মেয়েদের মতোই ছিল। কিন্তু সে আসলে নারী বেশে একজন পুরুষ ছিলেন, এই ঘটনা একবারের জন্য টের পাননি ইমাম ও তাঁর আত্মীয় পরিজনরা।

মুতুম্বা জানিয়েছেন, ‘আমি বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছিলাম। হিজাব পরা এক সুন্দরী মহিলাকে দেখে আমার ভাল লাগে। আমি তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি সম্মতি জানান। তবে যতদিন না তাঁর বাবা মায়ের কাছে বৈবাহিক মূল্য প্রদান করা হচ্ছে এবং বিয়ে হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্ক করতে অনিচ্ছুক ছিল সে।’ পাত্রীর এই দাবীও মেনে ইমাম।

ভালোবাসার মতো বিয়েরও কোন বয়স নেই, প্রমান করে দিলেন দীপঙ্কর-দোলন

কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরেও ইমামের স্ত্রী তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে অরাজি হয়। ঋতুস্রাবের দোহাই দিয়ে কিছুদিন অপেক্ষা করতে বলেন। প্রতিবেশীর বাড়িতে পাঁচিল টপকে চুরির ঘটনায় হাতে নাতে ধরা পড়ে যায়। পুলিশ সূত্র অনুসারে, ইসলামী মহিলাদের পোশাক এবং চপ্পল পরে এসেছিলেন ইমামের ‘স্ত্রী’। নিয়মমাফিক এক মহিলা পুলিশকর্মী তাঁর তল্লাসি নিতে গিয়ে দেখতে পান, অন্তর্বাসের মধ্যে কাপড় ভরে নারী শরীরের গঠন তৈরি করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তাঁর পুরুষ যৌনাঙ্গও রয়েছে। তখনই পাকাপাকি ভাবে প্রমাণ হয়ে যায়, ইনি একজন পুরুষ। ব্যক্তিত্বারোপ এবং চুরির অপরাধে তাঁর শাস্তি হবে বলে জানা গেছে। জেরার মুখে অভিযুক্ত স্বীকার করে, পয়সার জন্যই সে ইমাম মুতুম্বার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছিল।