Date : 2024-04-14

#AayeHoTohBataKeJao প্রধানমন্ত্রীর সফরের দিন‌ই কটাক্ষ পোষ্টার প্রকাশ তৃণমূলের। হিন্দি গানের কথায় বকেয়ার দাবি

সঞ্জু সুর, সাংবাদিক ঃ “আয়ে হো তো বাতাকে যাও।” বাংলায় মানে করলে দাঁড়ায় “এসেছেন যখন, তখন বলে যান।” শুক্রবার সকাল সকাল এমন পোষ্টার প্রকাশ করলো তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে ট্যাগ করে রাজ্যের দুই মন্ত্রী সহ তৃণমূল কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে এমন পোষ্টার দেওয়া হয়েছে।

লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশ হতে এখনও সপ্তাহখানেক সময় বাকি রয়েছে। তার আগে শুক্রবার হুগলির আরামবাগে সভা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানের পাশাপাশি রাজনৈতিক সভাও করবেন তিনি। শুক্রবার এর পর শনিবার কৃষ্ণনগরে সভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে এবারের লোকসভা নির্বাচনের প্রচার এই বাংলা থেকেই শুরু করছেন প্রধানমন্ত্রী। আর প্রধানমন্ত্রীর এই দুই দিনের রাজ্য সফরের মধ্যেই একশো দিনের কাজের টাকা বা আবাসনের বকেয়া টাকার দাবি করে পোষ্টার প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই পোষ্টারে হিন্দি গানের ভাষা ব্যবহার করে বলা হয়েছে, ডিয়ার মোদি জী, ১৫ লাখ ব্যাঙ্ক মে নেহি আয়ে। “ক্যায়া হুয়া তেরা ওয়াদা”।

কোনও পোষ্টারে লেখা, ডিয়ার মোদি জী, এমজিএনআরইজিএ কা প্যয়সা কব তক্ রোকোগে ! “কিউকি ইন্তেহান হো গয়ি ইন্তেজার কি”। আবার একটি পোষ্টারে লেখা রয়েছে, ডিয়ার মোদি জী, আবাস কা প্যয়সা অভি ভি নেহি মিলা। “ক্যায়া আপনা টাইম আয়েগা?” পোষ্টারগুলোর ভাষা থেকেই পরিষ্কার, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ক্ষমতায় এলে সুইস ব্যাংকে থাকা টাকা ফিরিয়ে এনে প্রত্যেক ভারতীয়র অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বা একশো দিনের কাজের বকেয়া টাকা অথবা আবাস যোজনার টাকা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

এই পোষ্টার প্রকাশ এর পাশাপাশি রাজ্যের দুই মন্ত্রীও এক্স হ্যান্ডেলে পোষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী কে উদ্দেশ্য করে। মন্ত্রী শশী পাঁজা লিখেছেন, “এসেছেন যখন তখন বলে যান, বাংলার একশো দিনের শ্রমিকরা গত দুই বছর ধরে যে কষ্ট সহ্য করছে, তখন আপনি কোথায় ছিলেন।”

আরেক মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদাও এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “কেন আদিবাসী একশো দিনের কাজের কর্মিরা বঞ্চিত ? কেন বারবার বাংলার বিজেপি নেতারা আদিবাসীদের অপমান করে ? কেন আদিবাসীদের উপর অত্যাচার সর্বকালীন সীমা ছাড়িয়েছে ?”

পোষ্টার প্রকাশ ও মন্ত্রীদের ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রীর উপর পরোক্ষ চাপ সৃষ্টির কৌশল বলেই মনে করা হচ্ছে।