Date : 2024-05-26

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বড়বাজারের গোডাউনে, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা যথাযথ ছিল? উঠছে প্রশ্ন

সায়ন্তিকা ব্যানার্জি, সাংবাদিক: সপ্তাহের শুরুতেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শহর কলকাতায়। সোমবার ভোর চারটে সাড়ে চারটে নাগাদ আগুন লাগে বড়বাজারের(Barabazar) নাখোদা মসজিদ সংলগ্ন একটি গোডাউনে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে সেই আগুন পৌঁছে যায় পাশের বিল্ডিং গুলিতেও দমকলের প্রায় 14টি ইঞ্জিনের প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এই আগুনকে।

বড়বাজারে(Barabazar)

বড়বাজারে(Barabazar) দাহ্য পদর্থ মজুত থাকা একটি গোডাউনে আগুন লাগে। ঘিঞ্জি এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে গিয়েছিল। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। আগুন নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। যে গোডাউনে আগুন লাগে, সেখানে পিচবোর্ড মজুত করে রাখা ছিল। এর জেরে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে যে গোডাউনে আগুন লাগে, সেটি নাখোদা মসজিদের বেশ কাছে অবস্থিত। তবে আগুন কীভাবে লাগে, তা এখনও জানা যায়নি।

সুজিত বসু বলেন, কীভাবে আগুন লেগেছে, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একটা পিচবোর্ডের গোডাউনে আগুন লেগেছে। সেখান থেকে আশেপাশের দুটি বাড়ির নীচের তলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যারা ওখানে বসবাস করেন, তাদের সুরক্ষিতভাবে বের করে আনা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। আর যাতে আগুন না ছড়িয়ে পড়ে, তার চেষ্টা চলছে। কুলিং প্রসেস চলছে।

এই গোডাউন বেআইনি বলেই অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে দমকলমন্ত্রী বলেন, বড়বাজার(Barabazar) অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকা, সবাই জানেন। আমরা নিজেদের কাজ করছি। আমি সিনিয়র অফিসারদের ফোন করে দ্রুত এখানে আসতে বলি। আমাদের প্রাথমিক কাজ আগুন নেভানো। তারপর তদন্ত হবে, ফরেন্সিক হবে। তখনই জানা যাবে এটা আইনি না বেআইনি।

আরো পড়ুন : এই গরমে এসি ও ফ্যান একসঙ্গে চালাচ্ছেন?