
ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লক্ষ ছাড়াল, মৃত্যু বেড়ে ৩২৭৭১
করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর পরিসংখ্যানে রোজই রেকর্ড দেশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক প্রকাশিত রোজকার মেডিক্যাল বুলেটিন অনুযায়ী ২০ থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে,

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর পরিসংখ্যানে রোজই রেকর্ড দেশে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক প্রকাশিত রোজকার মেডিক্যাল বুলেটিন অনুযায়ী ২০ থেকে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে,

দেশের সার্বিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে ফের বৈঠক করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লকডাউন ও আনলক

মুখে মাস্ক ঢেকে কোভিড পরীক্ষা করতে আসছেন দলে-দলে। যথাসম্ভব পরীক্ষাও হচ্ছে। এরপর রিপোর্ট। কেউ পজিটিভ, কেউ নেগেটিভ। এখানেই বেঁধেছে গোল।

করোনা সংক্রমণে ১১ লক্ষের পরে এবার ১২ লক্ষের গন্ডীও পার করল ভারত। বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রক প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, নতুন করে

ভারতের জাতীয় কংগ্রেসে একসময় সতীর্থ হিসাবে কাজ করেছেন দুজনেই। বঙ্গ রাজনীতির সেই দুই জনপ্রিয় মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অধীর চৌধুরী

করোনা কাঁটায় বিদ্ধ দেশ। কয়েকদিন আগেই আমপান ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা। এবার উত্তর ভারতে তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দিল দিল্লির

করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে করতে ক্লান্ত গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, ব্রিটেন, স্পেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, সুইডেন, জার্মানি, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ কেউ বাদ

নোভেল করোনা ভাইরাসে ভারতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা উর্ধ্বমুখী। শনিবার সকাল ৮টায় স্বাস্থ্যমন্ত্রক প্রকাশিত বুলেটিনে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে

কেউ রাস্তায় পড়ে ছটফট করছেন, কেউ বমি করছেন, কেউ নিথর হয়ে পড়ে রয়েছেন। কেউ মাস্ক পরা অবস্থাতেই নিজের শ্বাসকষ্টের কথা

প্রথম দফায় লকডাউন ছিল ২১ দিনের জন্য। ২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। দ্বিতীয় দফায় ১৯ দিনের জন্য। ১৫ এপ্রিল

দেশজুড়ে চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। যার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে ৩ মে। এই মেয়াদ শেষে লকডাউন কি বাড়বে, তা নিয়েই

দেশজুড়ে করোনা আতঙ্ক। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে এখন ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন চিকিৎসক আর স্বাস্থ্যকর্মীরা।