
করোনা ও লকডাউন পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী, রেড জোনে নেওয়া হবে আরও কড়া ব্যবস্থা
দেশজুড়ে চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। যার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে ৩ মে। এই মেয়াদ শেষে লকডাউন কি বাড়বে, তা নিয়েই

দেশজুড়ে চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। যার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে ৩ মে। এই মেয়াদ শেষে লকডাউন কি বাড়বে, তা নিয়েই

দেশজুড়ে করোনা আতঙ্ক। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে এখন ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন চিকিৎসক আর স্বাস্থ্যকর্মীরা।

দেশজুড়ে চলছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। শনিবার পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ৭৯২। মারা গিয়েছেন ৪৮৮ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২০১৪

নোভেল করোনা ভাইরাসে চিনে মৃত্যু হয়েছে ৩৩৪২ জনের। চিনের সরকারি হিসাবে সর্বশেষ এই তথ্যই জানানো হয়েছে। নোভেল করোনার আঁতুড়ঘর উহানে

প্রথম দফায় ২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল ২১ দিনের লকডাউন পার করেছে দেশ। ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয়

২৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল। দেশজুড়ে ২১ দিনের লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই লকডাউনের মেয়াদের পর কী?

দেশজুড়ে চলছে ২১ দিনের লকডাউন। যার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১৪ এপ্রিল। এরপর কী। লকডাউন উঠে যাবে নাকি চলবে। তা

করোনার বিরুদ্ধে একজোট হয়ে ভারতবাসীর লড়াই। ২১ দিনের লকডাউন সেই লড়াইয়েরই অঙ্গ। প্রধানমন্ত্রীর আহবান ছিল, রবিবার রাত ৯টায় ৯ মিনিটের

মঙ্গলবার মাঝরাত থেকে গোটা দেশে জারি লকডাউন। চলবে একটানা ২১ দিন। মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র

করোনার প্রেক্ষিতে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে চলতি অর্থবর্ষ। ২০১৯০-২০ অর্থবর্ষ তিন মাসের জন্য পিছিয়ে দিয়ে জুন মাস পর্যন্ত করা হয়েছে। এরই

নোভেল করোনা ভাইরাস ক্রমশ ছড়াচ্ছে দেশে। তার থেকেও বেশি ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। সেই আতঙ্ক দূর করতে কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারগুলি

ওয়েব ডেস্ক : নোভেল করোনা ভাইরাস কতটা ভয়ঙ্কর তা গোটা বিশ্বই জেনে গিয়েছে। চিন, আমেরিকা, ইতালি, ইরান, ফ্রান্স, স্পেন, দক্ষিণ